সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল ফটকের সাইনবোর্ড, ওয়েবসাইটসহ সব জায়গায় নতুন নাম প্রতিস্থাপনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
পরিবর্তিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির ‘শেখ কামাল সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এখন থেকে ‘বালিয়াকান্দি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার ‘বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এখন ‘টুঙ্গিপাড়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’, বরগুনার ‘শেখ হাসিনা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এখন ‘আমতলী সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’, পাবনার ‘শহীদ শেখ রাসেল সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এখন ‘সাঁথিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ নামে পরিচিত হবে।
এ ছাড়া ফরিদপুর, শরীয়তপুর, নওগাঁ, যশোর, জামালপুর, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত আরও একাধিক টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ঠাকুরগাঁওয়ের ‘ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’-এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘ঠাকুরগাঁও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’। এসব প্রতিষ্ঠানের নাম থেকে বাদ পড়েছে শেখ হাসিনার প্রয়াত স্বামী পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক, ওয়াজেদ চৌধুরী, শফিকুল ইসলাম খোকা, আবু শারাফ সাদেকসহ আরও কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নাম।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনায় নাম পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ১৩ এপ্রিল, যা বাস্তবায়নে গত ৬ মে আদেশ জারি করা হয়।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৪ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এক আদেশে ১৬টি স্কুল, ৩টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ৩টি কলেজসহ মোট ২১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে।
এ ছাড়া তারও আগেও ৬৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়, ৬টি মেডিকেল কলেজ ও ১৪টি হাসপাতাল থেকেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা ও অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাদের নাম বাদ দিয়েছে সরকার।