1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
নড়াইলে জাল দলিলে নামজারি ভূমি অফিসের নায়েবদের ভয়াবহ জালিয়াতি - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

নড়াইলে জাল দলিলে নামজারি ভূমি অফিসের নায়েবদের ভয়াবহ জালিয়াতি 

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে
নড়াইল প্রতিনিধি // উপজেলার কচুবাড়িয়ায় জাল দলিল ব্যবহার করে জমি নামজারি করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কাজে ভূমি অফিসের নায়েব ও এসিল্যান্ড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা সরাসরি জড়িত। তারা লোহাগড়ার একটি শক্তিশালী ভূমি জালিয়াত চক্রের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন। উজ্জ্বল রায়.
নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, অনুসন্ধানে জানা যায়, পৌর শহরের ৯৬ নং কচুবাড়িয়া মৌজায় আরএস ২৫৯ নং খতিয়ান থেকে শ্রী সুভাস চন্দ্র দাশ ১৯৯৭ সালের ১৩ মার্চ ১২২৪ নং দলিলের মাধ্যমে শ্রী খোকন কুমার দাশ’র নিকট থেকে ৬১ শতক জমি ক্রয় করেন। দলিলে উল্লেখিত আরএস ২৫৯ নং খতিয়ানের দুটি দাগে সর্বমোট ২০ শতাংশ জমির রেকর্ডীয় মালিক দং মফিজুর রহমান। উক্ত দলিলে গ্রহীতা সুভাস চন্দ্র দাশ একই মৌজার আরএস ২৬২ নং খতিয়ান অর্ন্তভূক্ত করে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ১২২৪ নং ভিন্ন একটি দলিল তৈরি করে। এরপর চক্রটি এসিল্যান্ড ও ভূমি অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বিগত ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর নামজারী কেস নং ৮৯১/১৯-২০ মাধ্যমে সর্বমোট ১৯টি দাগের ৮৯ শতক জমি নায়েব মোল্যা মো: হায়দার আলীর প্রতিবেদনে শুনানী ছাড়া একতরফা অতি গোপনে পৃথক ৯০৩ নং নামজারী খতিয়ানভূক্ত করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুকুল কুমার মৈত্র। উক্ত খতিয়ানে বিবেকানন্দ দাস’র একাধিক দাগ ও জগন্নাথ পাল’র ৩ শতক ক্রয়কৃত জমি ২০০৭ সালে নামজারী ২৬২/১  পৃথক খতিয়ানভূক্ত করে কর খাজনা পরিশোধ করে আসছেন। অথচ এই এই জালিয়াতির খতিয়ানে অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। বাদ যায়নি ২১১ নং দাগের সরকারী ১ নম্বর খাস খতিয়ানের জমি। সরকারী কাচা রাস্তা অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে ব্যক্তি মালিকানার এই খতিয়ানে।
                অপরদিকে পৈর্তৃক ও ওয়ারেশ সূত্রে স্বত্বপ্রাপ্ত দাবী করে বিবেকানন্দ দাস বিগত ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর বিজ্ঞ নড়াইলের লোহাগড়া সহকারী জজ আদালতের দেওয়ানী ৯৪/০৯ মামলায় ৯৯টি দাগে ৪ একর ৩৭ শতক জমি ফোর সেকশন পার্টিশন স্যুট এবং ২৩ শতকের ওপর আমানত উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধিন রয়েছে। মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নালিশী জমিতে উভয়পক্ষকে স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করে আদালত। আদালতের উক্ত নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ২০২৫ সালের ২মে মিউটিশন কেস নং ৭৯৮৯/২৪-২৫, নালিশী ১৩টি দাগের ১একর সাড়ে ৩৭ শতক জমি লক্ষীপাশা ভুমি অফিসের নায়েব শেখ মো: আব্দুল মোতালেব’র প্রতিবেদনে নাজির, কানুনগো ও অফিস সহকারীর সহযোগীতায় শুনানী ছাড়া একতরফা অতি গোপনে পৃথক নামজারী ২৫-১৮৬৭ নং খতিয়ানভূক্ত করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র। নামজারী দু’টি বাতিল চেয়ে ভূমি আইনের ১৫০ ধারায় বিবেকানন্দ দাস বাদী হয়ে লোহাগড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর মিস কেস দায়ের করেন। যার নং ৯১/২৬ ও ৯৫/২৬। উভয় পক্ষের আইনজীবিসহ গত ২৬ জুলাই দুটি মিস কেসের শুনানীর দিন ধার্য্য করেন লোহাগড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুস্মিতা সাহা। ধার্য তারিখে বাদী-বিবাদী উপস্থিত থাকলেও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনুপস্থিত থাকায় ওইদিন শুনানী অনুষ্ঠিত হয় নাই।
          উল্লেখ্য: সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুকুল কুমার মৈত্র ও মিঠুন মৈত্র দু’জনের সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা। উভয়ের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার রামদিয়া গ্রামে। লোহাগড়া এলাকায় কথিত রয়েছে তারা নিজ নিজ দায়ীত্বে থাকা কালিন টাকার বিনিময়ে এহেন অপকর্ম নাই যে, চাচা-ভাতিজা করেন নাই। তাদের দুর্নীতি বিষয়ে একাধিকবার পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
এ বিষয়ে সদ্য বিদায়ী লোহাগড়া উপজেলান সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুস্মিতা সাহা’র নিকট জাল দলিল ও জালিয়াতির মাধ্যমে করা নামজারী বাতিলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews