1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক ছাত্রদল নেতা, অতঃপর গণধোলাই - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক ছাত্রদল নেতা, অতঃপর গণধোলাই

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫০ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

বরিশালের উজিরপুরে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান সুজনকে (২৭) আটক করে গণধোলাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে স্থানীয় বিএনপি নেতার হস্তক্ষেপে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চকমান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সুজন উপজেলার কেশবকাঠী-হাবিবপুর গ্রামের মো. শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. আল আমিন তালুকদারের বাড়িতে এক নারীর সঙ্গে সুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় কয়েকজন। পরে তাকে আটক করা হলে স্থানীয়দের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত কয়েকজন তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই বাড়িতে সুজনের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। ঘটনার রাতে স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাকে থানায় সোপর্দ করার প্রস্তুতি নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত পুলিশে দেওয়া হয়নি।

স্থানীয়দের দাবি, বিএনপি নেতা মো. শাহীন মাস্টারের হস্তক্ষেপে সুজনকে সেখান থেকে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

 

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুজন। তিনি বলেন, ‘মেয়ের বাবার ফোন পেয়ে আমি সেখানে গিয়েছিলাম। আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিষয়টি করেছে।’

 

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন সুজনের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির অভিযোগও করেছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুজন বিবাহিত এবং তার একটি সন্তান রয়েছে।

 

এ বিষয়ে বিএনপি নেতা ও উত্তর চকমান রেজিস্ট্রি বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. শাহিন হোসেন বলেন, ‘চোর ধরতে গিয়ে চোর হয়েছে। আমি ঘটনার সময় সেখানে ছিলাম।’

 

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews