মঙ্গলবার (৩ জুন) এ হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত তথ্য সামনে আসে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।
সোমবার (২ জুন) সন্ধ্যায় সানার মা ফারজানা ইউসুফের অভিযোগের ভিত্তিতে সুম্বল থানায় এফআইআর নথিভুক্ত করা হয় এবং পাকিস্তান দণ্ডবিধির (পিপিসি) ধারা ৩০২ (ইচ্ছাকৃত হত্যা) প্রয়োগ করা হয়।
প্রতিবেদন মতে, ১৭ বছর বয়সি ওই তরুণী তার সোশ্যাল মিডিয়া কার্যকলাপের জন্য সুপরিচিত ছিলেন। তার টিকটক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৮ লাখ এবং ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রায় ৫ লাখ ফলোয়ার রয়েছে।
এফআইআর অনুযায়ী, ভুক্তভোগীর মা বলেছেন যে, সোমবার বিকেল ৫টার দিকে হাতে পিস্তল নিয়ে এক ব্যক্তি হঠাৎ বাড়িতে প্রবেশ করে এবং ‘আমার মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সরাসরি গুলি করে’।
তিনি আরও বলেন, সানার বুকে দুটি গুলি লাগে, যার কারণে সে গুরুতর আহত হয়। এফআইআরে বলা হয়েছে, মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও সে মারা যায়।
সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ‘চতুর চেহারা, শারীরিক গঠন এবং উচ্চতা মাঝারি’ বলে বর্ণনা করেছেন সানার মা। হামলাকারী কালো শার্ট এবং প্যান্ট পরেছিলেন বলেও জানান তিনি। এছাড়া ফারজানা জোর দিয়ে বলেছেন যে তিনি ও তার শ্যালিকা লতিফা শাহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে সরাসরি দেখলে তারা তাকে শনাক্ত করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানে ৫ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ টিকটক ব্যবহার করেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ‘আপত্তিকর বিষয়বস্তু’ বিবেচনায় নিয়ে ভিডিও-শেয়ারিং অ্যাপটি বেশ কয়েকবার ব্লক করেছে কর্তৃপক্ষ।
শুধুমাত্র ২০২১ সালেই পাকিস্তানে চারবার টিকটক নিষিদ্ধ করা হয়। বর্তমানে অ্যাপটি ব্যবহার করা গেলেও, কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে।
সূত্র: দ্য ডন