
দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা, জাগো নিউজ, স্থানীয় দৈনিক সুন্দারবন সহ বিভিন্ন পত্রিকায় “বরিশালে নির্ধারিত রেটে ঘুষ নেন জেলা রেজিস্ট্রার” সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে বরিশালে আওতাধীন কর্মকর্তাদের বদলির বাণিজ্য, দলিল প্রতি, নকল প্রতি টাকা লেন দেন হয়। দলিল লেখকদের বাৎসরিক সনদ নবায়ন আর্থিক লেনদেন বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে বদলিজনিত এবং অন্যান্য বিষয়ের আর্থিক লেনদেনের তথ্য সম্পূর্ণ কাল্পনিক এবং মনগড়া বটে। অভিযোগগুলোর কোন ভিত্তি নেই। একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন যাবত নানাবিধ সুবিধা গ্রহণ করার জন্য এবং বিভিন্ন লোক মারফত লবিং, তদবির করে আসলে আমি তাদেরকে প্রত্যাখান করি। যাহার পরিপ্রেক্ষিতে তারা সংক্ষুব্দ হয়ে সাংবাদিককে ভুল বুঝাইয়া অসত্য, মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে। যাহা সম্পূর্ন মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর। আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন এবং মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করাই মূল লক্ষ্য। উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।