1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
প্রায় দুই কোটি টাকার ব্রিজটিতে উঠতে হয় মই বেয়ে! - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন

প্রায় দুই কোটি টাকার ব্রিজটিতে উঠতে হয় মই বেয়ে!

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৫ 0 বার সংবাদি দেখেছে
77

প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুতে উঠতে হয় মই বেয়ে। যেখান থেকে গাড়ি চলাচলের কথা, সেখানে শিশু বৃদ্ধসহ সবাই পায়ে হেঁটে পথ চলে পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। প্রায় দু’বছর ধরে এ অবস্থায় ব্রিজটি পড়ে থাকলেও হুশ নেই কর্তৃপক্ষের।

এই চিত্র ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার গালুয়া গ্রামে।

 
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সবকিছু কাজ শেষ, কেবল নেই দুই পাশের সংযোগ সড়ক। মই বেয়ে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকা ব্রিজতে উঠতে হয় জনসাধারণকে।
 
ঝালকাঠির রাজাপুরে গালুয়া ইউনিয়নের ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংলগ্ন এ গুরুত্বপূর্ন ব্রিজটি এভাবে পড়ে আছে প্রায় দুই বছর ধরে।
 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক কোটি ৬২ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে বরিশাল-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের গালুয়া বাজারের পাশে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন পুরাতন ব্রিজটি ভেঙে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে নতুন সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সেতুর ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। এরপর আর আজ পর্যন্ত নির্মিত হয়নি সংযোগ সড়ক। তাই এই সেতু এখন পরিণত হয়েছে এলাকাবাসীর গলার কাটায়।
 
স্থানীয় বাসিন্দা হেয়ামুল হোসেন বলেন, এই পথে চলাচল করতে হয় হাসপাতালের রোগী, বৃদ্ধ, নারী ও শিশু অন্তত দুই হাজারের বেশি মানুষকে। গাড়ি নিয়ে চলতে না পারায় অসুস্থদেরও হেঁটে অথবা কাঁধে চড়ে যেতে হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ অন্যান্য গন্তব্যে। দুবছর ধরে এ দুর্ভোগ পোহাতে হলেও দেখার কেউ নেই। আমরা কয়েক হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে আছি।
 
কলেজ শিক্ষার্থী কাওছার হোসেন বলেন, এই পথদিয়ে আমাদের মাদ্রাসা, স্কুল ও কলেজে যেতে হয়। মই বেয়ে উঠতে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের জন্য সবচেয়ে বেশি ভয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
 
এলাকাবাসী জানায়, এই কাজের ঠিকাদার ঝালকাঠি নিষিদ্ধ ঘোষত জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলন। তিনি একাধিক মামলার আসামি হয়ে বর্তমানে একটি অস্ত্র মামলার কারাগারে রয়েছন।
 
 
এদিকে অভিযোগ পেয়েও যেন নির্বিকার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃপক্ষ।  
 
এ ব্যাপারে রাজাপুর উপজেলা প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদার জন দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, অসম্পূর্ণ কাজ নতুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দিয়ে সম্পন্ন করতে নতুন করে পুন:দরপত্র আহ্বান করা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews