1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বন্যায় ভেঙে গেছে সেতু, ঠিক হয়নি ৯ মাসেও - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরনাম :
স্কুল ভর্তিতে লটারি বাতিল করা হয়েছে ‘খাল খননের মাধ্যমে দেশ গড়ার কর্মসূচিতে হাত দিলাম’ মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে ইফতার ও আলোচনা সভায় সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন ও ঐক্যের আহ্বান মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া কামিল মাদ্রাসায় রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানায় মেরামত ৫টি রেলইঞ্জিন, ঈদে যুক্ত হলো রেলবহরে নতুন পরিচয়ে সাংবাদিক বেলাল নারী কর্মীকে ঘিরে মেহেন্দিগঞ্জ পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে প্রশাসনিক বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দ্রুত সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পদ্ধতি নতুনভাবে নির্ধারণ করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বন্যায় ভেঙে গেছে সেতু, ঠিক হয়নি ৯ মাসেও

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : রবিবার, ৪ মে, ২০২৫
  • ২২৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে
70

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা বাজার খেয়াঘাটের তিস্তার শাখা নদীতে অপরিকল্পিতভাবে কংক্রিটের খুঁটির ওপর নির্মাণ করা হয় কাঠের সেতু। ৯ মাস আগে গত বছরের অক্টোবরে বন্যায় ভেঙে যায় সেতুটি। এরপর আজও সেতুটি মোরামত বা পুনঃনির্মাণ করা হয়নি। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন দুই ইউনিয়নের ২০ হাজার চরবাসী।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চরবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের এডিবির অর্থ থেকে কংক্রিটের খুঁটির ওপর কাঠের সেতু নির্মাণের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়। এজন্য ২৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় উপজেলা পরিষদ। শুরুতেই সেতু নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

গত বছরের ৩০ জুন সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ দেখিয়ে ঠিকাদারের টাকা ছাড় করানো হয়। ঠিকাদার শাহানুর ইসলামের পক্ষে সেতুটি নির্মাণে সাব-ঠিকাদার হিসেবে কাজ করেন বামনডাঙ্গার সাগীর খান। নকশা করেন উপজেলা প্রকৌশলী। সেতু নির্মাণে ব্যয় হয় ৩০ লাখ টাকা। ৯ মাস আগে তিস্তার স্রোতে ভেঙে যায় সেতুটি।

ছানা মিয়া নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সেতুটি নির্মাণ হওয়ায় চরের শিক্ষার্থীরা খুশি হয়েছিলেন। কিন্তু বিধিবাম! উদ্বোধন না হতেই সেতুটি ভেঙে গেছে তিস্তা নদীর স্রোতে। এখন পারাপারে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’

হরিপুর চরের স্কুলশিক্ষক আব্দুল জলিল মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধিদের গাফিলতি ও অনিয়মের কারণে সেতুটির এই হাল হয়েছে। যার খেশারত জনগণকে দিতে হচ্ছে।’

 

এ বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বেলকা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ বলেন, নদীতে পানি আসার আগেই সেতুটি পুনঃনির্মাণে আমরা জোর দাবি জানাই।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বেলকা খেয়াঘাটের তিস্তার শাখা নদীর ওপর পুনরায় কাঠের সেতু নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা এলজিইডির নেই।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজ কুমার বিশ্বাস বলেন, তিনি সবেমাত্র যোগদান করেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews