1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বাউফলে আমন বীজতলা নিমজ্জিত, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
দৈনিক সমকালের সাবেক বরিশাল ব্যুরো প্রধান পুলক চ্যাটার্জীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দৈনিক সমকালের সাবেক বরিশাল ব্যুরো প্রধান পুলক চ্যাটার্জীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বরিশালে ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যা ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ৭৯০ পাটগ্রামে জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ দস্যুমুক্ত সুন্দরবনে ফের দস্যু তৎপরতার শঙ্কা মধ্যপাড়া খনিতে উৎপাদনের গতি ফিরেছে, রাজস্বে নতুন সম্ভাবনা—বাধা রেলপথ রামপালে ডেঙ্গুর বাড়তি সংক্রমণ নড়াইলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে হত্যা ছয়জন গ্রেপ্তার  অভিনয় ছেড়ে দিতে চেয়েও ছাড়েননি সামান্থা

বাউফলে আমন বীজতলা নিমজ্জিত, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৬০ 0 বার সংবাদি দেখেছে

টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে পটুয়াখালীর বাউফলের বিভিন্ন ইউনিয়নে আমন বীজতলা নিমজ্জিত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বহু কৃষক। কৃষকদের অভিযোগ, অর্ধেকেরও বেশি বীজতলা ও আউশ ধান নষ্ট হয়ে গেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে আউশ আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৬০৮ হেক্টর জমিতে, যার পুরো অংশই বর্ষায় আক্রান্ত হয়েছে। অন্যদিকে, আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৩৪ হাজার ৭৫০ হেক্টর হলেও এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৭০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। যার মধ্যে ৫৮০ হেক্টর বীজতলা পানিতে আক্রান্ত হয়েছে। কৃষি অফিসের দাবি, আউশ মাত্র ১৯ হেক্টর এবং আমন বীজতলা ২৬ হেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তবে সরেজমিন বাউফল সদর ইউনিয়ন, নাজিরপুর, কেশবপুর, ধুলিয়া, কাছিপাড়া, মদনপুরা ও কালাইয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। মাঠের কৃষকদের মতে, ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ সরকারি হিসাবের চেয়ে বেশি।

ধুলিয়া ইউনিয়নের কৃষক কালাম মিয়া বলেন, ​কৃষি অফিসের লোকজন অফিসে বসে হিসাব করে। মাঠের বীজতলা যে শেষ হয়ে গেছে সেটা তারা দেখে না। বীজতলা নষ্ট হওয়ায় এবার আমন চাষ করতে পারব কি না তা নিয়ে চিন্তায় আছি।

নাজিরপুর ইউনিয়নের কৃষক সোবহান আলী বলেন, ​বীজতলা পানির নিচে। কৃষি অফিস জানিয়েছে, পানি নেমে গেলে বীজতলার কোনো ক্ষতি হবে না। কিন্তু বীজতলা তো পচে গেছে। আমন ধানের ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে।

কালাইয়া ইউনিয়নের সবজি চাষি রহিম গাজী জানান,​ খরিফ মৌসুমের শাকসবজি, যা লাগিয়েছিলাম। সব তলিয়ে পচে গেছে। বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে গেল। ​ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, কয়েকদিনের টানা বর্ষণে কোথাও কোথাও বীজতলা আংশিক বা সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হয়েছে। তবে জোয়ার ও বর্ষার পানি দ্রুত নেমে গেলে খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতি হবে না বলে আশা করছি। এরই মধ্যে কিছু কিছু কৃষক উঁচু জমিতে নতুন করে বীজতলা তৈরি শুরু করেছেন।

তিনি আরও বলেন, সম্পূর্ণ আর্থিক ক্ষতি নিরূপণ এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews