1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বালাগ্রাম ইউনিয়নে সরকারি ভিজিএফ এর চাউল প্যানেল চেয়ারম্যানের নীরবতায় হরিলুট - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরনাম :
স্কুল ভর্তিতে লটারি বাতিল করা হয়েছে ‘খাল খননের মাধ্যমে দেশ গড়ার কর্মসূচিতে হাত দিলাম’ মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে ইফতার ও আলোচনা সভায় সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন ও ঐক্যের আহ্বান মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া কামিল মাদ্রাসায় রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানায় মেরামত ৫টি রেলইঞ্জিন, ঈদে যুক্ত হলো রেলবহরে নতুন পরিচয়ে সাংবাদিক বেলাল নারী কর্মীকে ঘিরে মেহেন্দিগঞ্জ পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে প্রশাসনিক বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দ্রুত সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পদ্ধতি নতুনভাবে নির্ধারণ করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বালাগ্রাম ইউনিয়নে সরকারি ভিজিএফ এর চাউল প্যানেল চেয়ারম্যানের নীরবতায় হরিলুট

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫
  • ৭১ 0 বার সংবাদি দেখেছে
41

মোঃ রোকনুজ্জামান নীলফামারী প্রতিনিধি // বালাগ্রাম ইউনিয়নে প্যানেল চেয়ারম্যানের নীরবতায় সরকারি ভিজিএফ এর চাউল হরিলুট দেখার কেউ নেই। সরকারি চাউল পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারের পক্ষ থেকে ১০ কেজি করে চাউল গরিব, অসহায়, মিসকিনদের, মধ্যে বিতরণের কথা সেই চাউল নিয়েও তালবাহানা ইউপি সদস্যদের মাঝে ঠিক সে রকম টি ঘটেছে বালাগ্রাম ইউনিয়নে প্যানেল চেয়ারম্যান কোহিনুর বেগম তিনি সক্রিয়ভাবে দাঁড়িয়ে থেকে তার লোকজন দিয়ে ৮০ থেকে ১০০ বস্তা চাউল সিলিপ ছাড়াই নিয়ে যেতে দেখা গেছে। প্যানেল চেয়ারম্যান কোহিনুর বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি বিগত সময় থেকে করে আসতেছেন যেমন ,হোল্ডিং ট্যাক্সের , টাকা তুলে ভাগাভাগি করবেন, বলেন তার স্বামী নুরুল ইসলাম। কিন্তু প্রশাসনের নীরবতায় এভাবেই দিনের পর দিন, রাতের পর রাত অনিয়ম দুর্নীতি করে যাচ্ছে বালাগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান কোহিনুর বেগম। বাকি ইউপি সদস্যরা আছে তারা সঠিক সময়ে সঠিকভাবে তাদের নিজেদের চাউল তিনটার দিকে শেষ করে বাড়িতে চলে যান কিন্তু প্যানেল চেয়ারম্যান কোহিনুর বেগম শেষ করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট অফিসার নেই তবুও সে পাঁচটা পর্যন্ত চাউল দেন। শেষে সিলিপ নেই, কোন কিছু নেই কিন্তু ৮০থেকে ১০০ বস্তা চাল লুট হয়ে যায়। এ বিষয়ে নিয়ে জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন আচ্ছা দেখতেছি কি করা যায়। কিন্তু এ যেন দেখেও না দেখার ভান করেন ইউপি সচিব তিনি বলেন আমি এগুলো বিষয়ে কিছু জানিনা আপনারা যা মন চায় তাই করেন। কিন্তু ভুক্তভোগীদের অভিযোগ আমরা সকাল সাত টায় এসেছি এখন চারটা বাজে আমরা চাউল পাইনা চাউল সব প্যানেল চেয়ারম্যান কোহিনুর বেগম বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এবং সচেতন মহল বলতেছেন এভাবে চলতে পারেন না একটা ইউনিয়ন পরিষদ যেখানে এত অনিয়ম-দূর্নীতি থাকে। তাই এলাকাবাসী সহ সচেতন মহল তদন্ত চেয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে অভিযোগ করেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews