রাজধানী ঢাকা থেকে পটুয়াখালীগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস থেকে ইন্দোনেশিয়া থেকে আগত তাবলিগ জামাতের এক যাত্রীর লাগেজ উধাওয়ের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার সময় দুমকির পায়রা সেতু টোলপ্লাজাসংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ২৭ ডিসেম্বর শনিবার ঢাকার আব্দুল্লাহপুর থেকে হানিফ পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৮৭০৮) একটি বাসে লেবুখালীর পাগলায় আসার জন্য টিকিট সংগ্রহ করেন মনজুরুল আলম এবং মালামাল বুঝিয়ে দিয়ে টোকেন দিতে বলেন। সংশ্লিষ্ট সুপারভাইজর টোকেন না থাকার কথা বলে পরবর্তী স্টেশন গিয়ে টোকেন দেওয়ার কথা বলেন। তিনি পুনরায় টোকেন চাইলে সুপারভাইজর টোকেন না দিয়ে ওই যাত্রীকে মালামাল তাদের জিম্মায় রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন।
ভোর ৪টার দিকে দুমকী পায়রা টোলপ্লাজা সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডে নেমে তিনি তার নির্ধারিত একটি লাগেজ ও মালামালের প্যাকেট খুঁজে পাননি। বাস কর্তৃপক্ষের লাগেজ ও মালামাল দিতে ব্যর্থ হলে তিনি জরুরি সেবা ৯৯৯ কল করলে দুমকি পুলিশ ওই বাসের তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসেন। যদিও লাগেজ হারানোর বিষয়টি বাসের হেলপার ও সুপারভাইজর স্বীকার করেছেন।
অভিযুক্ত সুপারভাইজর শাহিনের (২৫) বাড়ি সাতক্ষীরার সদর উপজেলায় এবং হেলপার লিটনের (২২) বাড়ি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায়।
সুপারভাইজর শাহিনের ভাষ্য, তিনি লাগেজের টোকেন দেওয়ার জন্য হেলপার লিটনকে বলেছেন। হেলপার যাত্রীকে টোকেন দেয়নি।
হানিফ পরিবহনের বরিশাল বিভাগের ম্যানেজার রানা তালুকদার বলেন, অভিযোগ পেয়ে দুমকী থানায় এসে অভিযুক্ত হেলপার ও সুপারভাইজরের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা করছি। সমাধান করতে না পারলে ভুক্তভোগী আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন।
দুমকি থানা পুলিশের ওসি সেলিম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট বাসের ড্রাইভার, সুপারভাইজর ও হেলপারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। সমাধানের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।