1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বিধবাকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

বিধবাকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৪০ 0 বার সংবাদি দেখেছে
নিজস্ব প্রতিবেদক, পটুয়াখালী // পটুয়াখালীতে এক বিধবাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী। মামলায় জামায়াতের যুব বিভাগের সদর উপজেলা শাখার সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামেকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।

আজ বুধবার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, গত ২২ জুলাই পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে মো. শহিদুল ইসলামকে। ট্রাইব্যুনালের বিচারক শিরিন নিলা মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানাকে এজাহার গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, প্রায় সাত বছর আগে তার স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। সেই সময় থেকেই শহিদুল ইসলাম তাকে বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দিত। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে গত ২৪ মার্চ শহরের শেরে বাংলা সড়কে তার বোনের বাসায় নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের ফলে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, গর্ভধারণের পর অভিযুক্ত শহিদুল সন্তান নষ্ট করার জন্য তাকে চাপ দেন। এতে রাজি না হলে গত ১৮ মে চিকিৎসার কথা বলে একটি ক্লিনিকে নিয়ে জোর করে ওষুধ খাওয়ানো হয়। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং জ্ঞান ফেরার পর জানতে পারেন তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে শহরে এনে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে সদর থানাকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট জমুল আহসান বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। আদালত অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করবেন। আদালতে অভিযুক্ত দোষী প্রমাণিত হলে সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, আদালতের আদেশের কপি এখনো হাতে পাওয়া যায়নি। কপি পাওয়ার পর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews