1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ভাঙনের মুখে সুন্দরবনের কটকা–জামতলা - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন

ভাঙনের মুখে সুন্দরবনের কটকা–জামতলা

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে
89

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, সুন্দরবন থেকে ফিরে // দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র কটকাদিন দিন পর্যটকশূন্য হয়ে পড়ছে। বালু সরে গিয়ে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ছে জামতলা সমুদ্র সৈকত। ফলে হারিয়ে যাচ্ছে সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। ঢেউয়ের তীব্র আঘাতে সাগরে বিলীন হয়ে গেছে কটকায় অবস্থিত বনরক্ষীদের ব্যারাক, রাস্তাঘাট, গাছপালা, পুকুর ও রেস্ট হাউজসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা।

জামতলা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসা পর্যটক কাছেদ মোড়ল বলেন, বছরখানেক আগেও এই বিচে ঘুরতে এসেছিলাম। এবার এসে দেখি কিছু জায়গা বালির বদলে মাটি হয়ে গেছে। বিশেষ করে সূর্যাস্ত দেখার জায়গাটা বালি সরে গিয়ে মাটি হয়ে গেছে। কাদামাটিতে হাঁটাচলা করা বেশ কষ্টকর।

মুন্সী মোহাম্মদ ওমর নামের আরেকজন বলেন, ঢেউয়ে ভাঙতে ভাঙতে কটকা পর্যটন কেন্দ্র প্রায় শেষ। কটকা পর্যটন কেন্দ্রে আগে প্রচুর পর্যটক আসতো। এখন রাস্তাঘাটের বেহাল দশা আর জামতলা সি বিচের বালি সরে যাওয়ায় পর্যটক আসে না বললেই চলে। কর্তৃপক্ষ দ্রুত কোনো পদক্ষেপ না নিলে যেটুকু আছে সেটাও সাগরে বিলীন হয়ে যাবে।

শরণখোলা ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাসেল আহাম্মেদ বলেন, কটকার একটি অংশে গাছপালা, রাস্তাঘাট ও বনরক্ষীদের অফিস ভেঙে সাগরের বুকে বিলীন হয়ে গেছে। অন্যদিকে জামতলা সমুদ্র সৈকতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের বালু সরে গিয়ে কাদা কাদা হয়ে গেছে। এখন সূর্যাস্ত দেখার জন্য পর্যটকদের কাদা মাটির ওপর দাঁড়াতে হয়। ফলে আকর্ষণ হারাচ্ছে জামতলা সমুদ্র সৈকত। কটকা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে পর্যটকরা। এ ব্যাপারে সরকারও উদাসীন রয়েছে। ফলে এখানের পর্যটন সংশ্লিষ্টদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার মো. মতিউর রহমান বলেন, সাগরের তীব্র ঢেউয়ে ভাঙছে কটকা বনাঞ্চল। প্রতিনিয়ত ভাঙনের কারণে গত দুই বছরে কটকায় বনরক্ষীদের দুটি ব্যারাক, একটি রেস্ট হাউজ, রাস্তাঘাট, পুকুর এবং গাছপালা সাগরে তলিয়ে গেছে। বেশ কয়েকবার ব্যারাক স্থানান্তর করতে হয়েছে। ভাঙন রোধে কংক্রিট ব্লক ফেলা না হলে বর্তমান অফিস ও রেস্ট হাউস সাগরে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তা চাওয়া হয়েছে জানিয়ে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, কটকায় বেশ কয়েকটি স্থাপনা ও রাস্তাঘাট সাগরে বিলীন হয়ে যাওয়ার বিষয়টি আমাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে প্রস্তাবনা দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews