ন্যান্সি রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ার পর সকালে ঘরের আড়ার সঙ্গে রশি দিয়ে ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ওসি জানান, এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হবে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
ন্যান্সির মামা মাইকেল পান্ডে বলেন, ন্যান্সি ও টুম্পার মধ্যে বন্ধুত্ব ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২৪ আগস্ট তারা মাদারীপুরে আত্মগোপন করে। পরে পুলিশের সহায়তায় ন্যান্সিকে উদ্ধার করা হয়। পরিবারের মান-সম্মান ক্ষুণ্ণ হওয়া এবং তরুণীর সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণে ন্যান্সি মানসিকভাবে ভেঙে আত্মহত্যা করেছে।








