এছাড়া নির্যাতিতা নুর জাহান ও তার স্বামী মহিব উল্যার চাষ করা জমির বিক্রি করা ধানের টাকাও চরবালুয়া ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই শিমুল কান্তি দাসের নির্দেশে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ওই নির্যাতিতা নারী।
এসব বিষয় নিয়ে একাধিকবার পুলিশের কাছে অভিযোগ, জিডি করেও কোনো প্রতিকার না মেলায় পরিবারই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
পুলিশের কাছে দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নদী ভাঙ্গনে বসতবাড়ী ও কৃষি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে নুর জাহান তার অসুস্থ স্বামী মহিব উল্যাহসহ পরিবার নিয়ে আশ্রয় নেন চরএলাহী ইউনিয়নে ৬নং ওয়ার্ডের চরবালুয়া মৌজাধীন চরগাজীর মিজান মৌজার এক খন্ড খাস জমিতে। কিন্তু বিধিবাম হয়েছে অসহায় নুর জাহানের। নিজ ঔরশজাত ছেলে আমজাদ, তার স্ত্রী ও শশুর বাড়ীর লোকজন বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে বারবার বসতবাড়িতে নুর জাহানের পরিবারের ওপর হামলা, ভাংচুর, নির্যাতন চালান। বর্তমানে ওই বসতবাড়ী ও জমি থেকে উচ্ছেদ করে বাড়ি ছাড়া করতে চাচ্ছেন নিজ ছেলে আমজাদ ও তার সন্ত্রাসীরা।
ওই এলাকার সমাজ কমিটির সেক্রেটারি ইসমাইল বেপারী জানান, নুর জাহানের ভোগ দখলীয় জমিতে আমি বর্গা চাষাবাদ করি। চলতি আমন মৌসুমে উৎপাদিত ধান শাহীন বেপারীর কাছে বিক্রি করি। শাহীন বেপারী ধান বিক্রির টাকা আমাকে দিতে গেলে চরবালুয়া পুলিশ ক্যাম্পের এসআই শিমুল কান্তি দাস ওই টাকা অভিযুক্ত নুর জাহানের ছেলে আমজাদকে দিতে বলেন। সমাজের লোকজনের বাধায় ওই টাকা আমজাদকে না দিয়ে ধান বেপারী শাহীনের কাছে রয়েছে।
এদিকে চরবালুয়া পুলিশ ক্যাম্পের এসআই শিমুল কান্তি দাসের সঙ্গে ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে চরবালুয়া পুলিশ ক্যাম্পের এসআই শিমুল কান্তি দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।