লালমোহন প্রতিনিধি // ভোলার লালমোহন উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের আলোচিত মন্নান চৌকিদারকে গ্রেফতারের পর বেরিয়ে আসে তার একের পর এক অপকর্মের কাহিনী।
সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন চৌকিদার হিসেবে থাকলেও তার ক্ষমতার দাপট ছিল অন্যরকম। এলাকার বিভিন্ন অসহায় মানুষদের কাছ থেকে বয়স্ক ভাতা, বিধবা বাতা ও পঙ্গু ভাতাসহ বিভিন্ন সরকারি ভাতা দেওয়ার কথা বলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। কিন্তু পরবর্তীতে সেই অসহায় মানুষদের কোনো রকমের সুবিধা না দিতে পারলে মাসের পর মাস তারিখ রেখে টাকা পরিশোধ করবে বলে হয়রানি করেছেন তাদের।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, এই মন্নান চৌকিদার বিভিন্ন গাড়ির ড্রাইভারদের লাইসেন্স করার কথা বলে জন প্রতি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাক করে নিয়েছে। এছাড়াও পাসপোর্ট অফিসের বিভিন্ন পাসপোর্ট-ভিসা করে দেওয়ার কথা বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে ব্যাপক পরিমাণে অর্থ হাতিয়ে নীতো।
জানা যায়, গত এক সপ্তাহ আগে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের যের ধরে ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ ফজিলত এর পেটে লাথি মেরে তার ৪ মাসের বাচ্চা নষ্ট করে মিথ্যা অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে মন্নান চৌকিদার। অন্তঃসত্ত্বা ফজিলতের মা মন্নান চৌকিদারের বিরুদ্ধে মামলা করলে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে মানিরাম বাজার থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহবুবুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে এজাহার ভুক্ত আসামি মন্নান চৌকিদার কে আটক করা হয়। সকালে তাকে ভোলা কোর্টে পাঠানো হয়েছে।
Leave a Reply