তবে সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিকভাবে সামুদ্রিক প্রাণীর মৃত্যু উপকূলীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
জানা যায়, উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সদস্য আ. জলিল প্রথমে কচ্ছপটি দেখতে পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্যদের অবহিত করেন। খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং ঘটনাস্থলে ভিড় জমে।
পরিবেশ সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের ঘটনা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অশনি সংকেত। দূষণ, অবৈধ জাল ব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এ ধরনের মৃত্যুর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এ বিষয়ে উপকূল পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের (উপরা) যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, ‘বারবার এভাবে সামুদ্রিক প্রাণীর মৃত্যু অত্যন্ত উদ্বেগজনক। উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় এখনই কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।’
বন বিভাগ মহিপুর রেঞ্জের কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কচ্ছপটির মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।
পরিবেশবিদদের তথ্য মতে, সামুদ্রিক প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। পরে ডলফিন রক্ষা কমিটি, বন বিভাগ এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা যৌথভাবে মৃত কচ্ছপটিকে মাটি চাপা দেন।
এর আগে গত ৩ এপ্রিল কুয়াকাটা সৈকতের পশ্চিম পাশে মিরা বাড়ী মাদ্রাসাসংলগ্ন সৈকতে ভেসে আসে ১২ কেজি ওজনের অলিভ রিডলি প্রজাতির একটি মৃত কচ্ছপ। পরে বন বিভাগ এবং উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন (উপরার) সমন্বয়ে কচ্ছটিকে মাটি চাপা দেয়া হয়।