
ভারত থেকে নেমে আসা ঢল ও ভারী বৃষ্টির কারণে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে। টানা বর্ষণে লক্ষ্মীপুরে প্রায় সব জায়গায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ মানুষ পানিবন্দি। কোথাও হাটু পরিমাণ আবার কোথাও কোমড়সমান পানি জমে আছে। এর মধ্যে বেড়েছে সাপের প্রকোপ। গত ১০ দিনে জেলার বিভিন্ন স্থানে ১১২ জনকে সাপে কেটেছে বলে জানা গেছে।
শনিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে জেলা সিভিল সার্জন (সিএস) আহাম্মদ কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় বন্যায় বিস্তীর্ণ এলাকা পানিবন্দি। এতে গর্তে থাকা সাপগুলো লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এখনো বন্যার পানি একেবারে না কমায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে এসব উপজেলাবাসী।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় অনেকে সাপে কামড়ের শিকার হয়েছে। জেলা সদরসহ ৪টি হাসপাতালে ১১২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে সদর হাসপাতালে ৮০ জন, রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৭ জন, রামগঞ্জে ১৪ জন, কমলনগর ১১ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন (সিএস) আহাম্মদ কবীর বলেন, বন্যা পরিস্থিতির কারেণ সাপের উপদ্রব বেড়েছে। এ ধরণে রোগীদের সেবা দেয়ার জন্য আমাদের পর্যাপ্ত ইনজেকশন রয়েছে। এখনো পর্যন্ত যাদেরকে সাপে কেটেছে সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। অনেকে ইনজেকশন দেয়ার পরপরই বাড়ি ফিরেছেন। আবার কয়েকজনকে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রেখে বাড়িতে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে।