
সভায় প্রধানমন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে যৌথ ও সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি জানান, প্রকল্পের বিদ্যমান পরিকল্পনাগুলো পুনরায় নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করে নির্মাণকাজে সর্বোচ্চ গতি আনতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে যেসব প্রতিবন্ধকতা বা আইনি জটিলতা রয়েছে, তা দ্রুত চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে সমাধানের উপায় বের করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট সবকটি সরকারি সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে কোনো ধরনের প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতায় কাজের গতি ধীর না হয়। একই সঙ্গে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে একটি বাস্তবসম্মত সময়সীমা (ডেডলাইন) নির্ধারণের নির্দেশ দেন তিনি। রাজধানীবাসীর যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ও জনভোগান্তি কমাতে প্রকল্পের কাজে দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কড়া তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।
গুরুত্বপূর্ণ এই পর্যালোচনা সভায় সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই সভায় অংশ নিয়ে নিজেদের মতামত ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।