
মোঃ এমদাদুল কাসেম সেন্টু, উজিরপুর প্রতিনিধি // বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় সন্ধ্যা নদীতে আভাস, উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও ইউনেস্কো এর সহযোগিতায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী রোমাঞ্চকর দ্বিতীয় তম নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩১অক্টোবর শনিবার বিকাল সারে ৩ টার সময় সন্ধ্যা নদীর শিকারপুর সরকারী শেরে- বাংলা ডিগ্রি কলেজের সামনে থেকে শুরু করে ৯ নং সেক্টর কমান্ডার মেজর এম,এ জলিল সেতু পর্যন্ত নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয় ।

মোট ৮টি নৌকা প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন । প্রতিটি নৌকার নামকরণ করা হয়েছে বাংলাদেশের ইতিহাসে গড়ে উঠা কীর্তনখোলা নদী, সুগন্ধা নদী, আড়িয়াল খাঁ নদী, সন্ধ্যা নদী, ধানসিঁড়ি নদী, তেঁতুলিয়া নদী,পায়রা নদী ও বিষখালি নদী ।গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুর জেলার অভিজ্ঞ নৌকাবাইচ প্রতিযোগীরা কালিপদ তালুকদার, লাজারেস ফলিয়া, সঞ্জয় রায়, রনজিত বালা, সমির সেন, কিরন রায়,বিশ্বজিৎ বাড়ৈ ও সৈকত রায় তাদের দল নৌকা নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ করেছেন। বরিশাল বাসীর প্রাণের এই ঐতিহ্যকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ। নদীর দুই পাড়ে দেখতে আসেন হাজারো নারী-পুরুষ দর্শক। নদীর দুই পাড়ে জমে উঠে উৎসবমুখর পরিবেশ। উজিরপুর উপজেলা প্রশাসন নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজার আয়োজনে, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার ( অতিরিক্ত সচিব ) মোঃ খলিল আহমেদ এর সভাপতিত্বে নৌকা বাইচ উদ্বোধন, উপভোগ ও প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি বরিশাল – ২, (উজিরপুর – বানারীপাড়া) উপজেলার সংসদ সদস্য, গনমানুষের নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশালের পুলিশ সুপার এ,জেড, এম মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের জনশক্তি বিভাগের কীপার আসমা ফেরদৌসি, আভাস সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রহিমা সুলতানা কাজল । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি কর্মকর্তা উম্মে সালমা খানুন, উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম খান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ূন খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম আলাউদ্দিন, যুগ্ন-সহসাধারন সম্পাদক সরদার সিদ্দিকুর রহমান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রোকনুজ্জামান টুলু, উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম, সংসদ সদস্য’র ব্যক্তিগত সহকারি মোঃ ফয়জুল হক সুমন, উজিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মুহাসিন মিয়া লিটন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ এমদাদুল কাসেম সেন্টু সহ জেলা,উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ। নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা উপভোগ করার জন্য নদীর দুই পাশে ও নদীতে বিভিন্ন সাঝে সজ্জিত ছিল ট্রলার, নৌকাসহ হাজার হাজার শ্রোতা উপস্থিত ছিলেন। নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় শেষে অংশগ্রহণ কারি বিজয়ী প্রথম সন্ধ্যা নদী, দ্বিতীয় বিষখালী নদী,তৃতীয় সুগন্ধা নদী সহ সকল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ কারিদের পুরুষ্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিসহ সকল উপস্হিত অথিতি বৃন্দরা।