
দ্রুত রেণুপোনা আহরণ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) আহ্বায়ক শেখ নুর আলম।
তিনি বলেন, বন বিভাগ, কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও প্রশাসনের নাকের ডগায় দিয়ে শত শত নৌকায় চিংড়ির পোনার আহরণ চলছে নিষিদ্ধ নেট জাল ফেলে। এক প্রকার অসাধু ব্যবসায়ী মুনাফার স্বার্থে এমনটা করছেন। তারা একটি চিংড়ির রেণু আহরণ করতে গিয়ে ২০০টি অন্য জাতের মাছের পোনা তারা ধ্বংস করছেন। এতে একদিকে মৎস্যসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে, আন্যদিকে আমাদের মাছের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এতে আমাদের পুষ্টিরও হানি হচ্ছে। এ ছাড়া এটা আমাদের জৈববৈচিত্র্যকেও নষ্ট করছে।
এ দিকে নিয়মিত অভিযানের কথা জানিয়ে মোংলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন বলেন, মোংলার পশুর নদী ও শ্যালা নদীর রামপালের অংশ থেকে শুরু করে হারবাড়িয়া পর্যন্ত আমাদের প্রতিনিয়ত অভিযান চলে। কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী এতে আমাদের সহায়তা করে। চিংড়িসহ সব ধরনের পোনা ধরা থেকে বিরত রাখতে সচেতনও করা হচ্ছে জেলেদের। বাগেরহাট কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন কর্মকর্তা মো. তারেক আহমেদ জানান, পশুর চ্যানেলে সব ধরনের রেণু তোলা নিষিদ্ধ। গোপন তথ্যের প্রতিনিয়ত অভিযান চালানো হচ্ছে।
মোংলার সুন্দরতলা, বিউটি মার্কেট ও চিলা বাজার এলাকায় প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার অবৈধ বাগদা ও গলদা রেণু পোনা বেচাকেনা হয়।