
এ বছর পরীক্ষায় ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন বা পাস করেছেন ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। গত বছর ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৬ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসলেও কৃতকার্য হয়েছিলেন ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪২৬ জন।
আজ সোমবার সকালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
চলতি বছর নয়টি সাধারণ ধারার শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ লাখ ৪ হাজার ৯২৯ জন। সাধারণ ধারার শিক্ষা বোর্ডগুলোতে ১৪ লাখ ৪ হাজার ৫৩৯ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় বসলেও কৃতকার্য হয়েছেন ৮ লাখ ৯৯ হাজার ৬১০ জন।
আর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ১৮৫ জন। ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিলেও উত্তীর্ণ হয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জন।
এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৯৪ জন পরীক্ষার্থী। এ পরীক্ষায় বসেছিলেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৬৪ জন, আর উত্তীর্ণ বা কৃতকার্য হয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৭০ জন।
এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। স্কুলের গণ্ডি পেরোনো এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে, যা পাস করা মোট শিক্ষার্থীর ১০ দশমিক ২৪ শতাংশ।
এই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট। আর পূর্ণাঙ্গ জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন। গত বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন।
২০২১ সালে দেশে রেকর্ড ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করে। ২০০৭ সালের পর চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার সবচেয়ে কম। ওই বছর ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল।
এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় গত ২১ এপ্রিল। গত ২০ মে এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয়। দাখিল এবং এসএসসি ও ভোকেশনালের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে।