1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
শরতের কাশফুলে সেজেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

শরতের কাশফুলে সেজেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২০ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // শরৎ এলেই প্রকৃতি যেন নতুন রূপে সেজে ওঠে। নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, মৃদু বাতাস আর মাঠজুড়ে দোল খাওয়া কাশফুল জানান দেয়—এসেছে শরৎ। ঋতুর এই মায়াবী সৌন্দর্য থেকে বাদ যায়নি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ও।

কীর্তনখোলার তীরে অবস্থিত ৫৩ একরের মনোমুগ্ধকর ক্যাম্পাস বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। শরৎকালে এই সৌন্দর্যের সঙ্গে আরও যুক্ত হয় সাদা কাশফুল। লাল দেয়ালের ভবনগুলোর উপরে সুন্দর নীল আকাশে পেঁজা তুলোর মতো গুচ্ছ গুচ্ছ মেঘ যখন ভেসে বেড়ায় এবং সুন্দর নরম কাশফুলে যখন বাতাসের দোল লাগে, তখন মন যেন এক ভিন্ন আবহে আনন্দে নেচে ওঠে।

বিকেল হলেই চোখে পড়ে কাশফুল দেখতে আসা দর্শনার্থীদের ভিড়। কেউ বা তুলছে ছবি, আবার কেউবা ঘুরে ঘুরে উপভোগ করছে কাশফুলের সৌন্দর্য।

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামার আগে কাশফুলের সাদা আভা যেন আরও মায়াবী হয়ে ওঠে। পশ্চিম আকাশের আলো যখন ধীরে ধীরে ম্লান হতে থাকে, তখন বাতাসে দুলতে থাকা কাশফুলের দৃশ্য ক্যাম্পাসকে করে তোলে আরও নান্দনিক। প্রকৃতি ও স্থাপনার এই মেলবন্ধন শিক্ষার্থীদের কাছে হয়ে ওঠে এক স্বস্তির জায়গা।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মারিয়া শেখ রায়তা বলেন, ‘আমাদের ক্যাম্পাসটা আয়তনে তুলনামূলক ছোট, তবে শরৎ আর বসন্তকালে ক্যাম্পসটা অনেক রকম ফুলে সেজে ওঠে।

তেমনই এখন শরৎকালে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় অনেক কাশফুল ফুটেছে, যেটা দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে। ব্যাস্ত রাস্তাগুলো দিয়ে যখন ক্লাস বা অন্য কারণে যাওয়া আসা করছি তখন কাশফুল গুলো চোখে পড়ছে ভালোই লাগে দেখতে।

আর এই সময় বাইরে থেকেও অনেকে ঘুরতে আসে,ছবি তুলতে আসে এটাও ভালো লাগে।’

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী হালিমা খাতুন কেয়া বলেন, ‘কাশফুল শুধু শরতের সৌন্দর্য নয়, এটি নগর জীবনের ব্যস্ততায় আমাদের মানসিক প্রশান্তির এক বড় উৎস। ইট-কাঠের এই যান্ত্রিক শহরে কাশবনে দাঁড়ালে মনে হয় প্রকৃতির খুব কাছাকাছি চলে এসেছি। বাতাসের দোলায় দোল খাওয়া এই সাদা ফুলের সারি যেন আমাদের শেখায়—সব কোলাহল ভুলে কীভাবে সহজ-সরল ও স্নিগ্ধ থাকা যায়।’

উল্লেখ্য, এবার কাশফুলের সৌন্দর্যের সঙ্গে কিছুটা আক্ষেপও যুক্ত হয়েছে। কাশফুলের বিস্তৃত মাঠকে খেলার মাঠ বানানোর কারণে ক্যাম্পাসে কাশফুল প্রতিবারের মতো অতটা চোখে পড়েনি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews