1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে দিশাহারা মধ্য সোনাকুরের পালপাড়া - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে দিশাহারা মধ্য সোনাকুরের পালপাড়া

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৮ 0 বার সংবাদি দেখেছে

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় সন্ধ্যা নদীর প্রচ্ছন্ন ও আকস্মিক ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে বসতভিটা ও বৈদ্যুতিক লাইন। এতে চরম বিদ্যুৎহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার আমড়াজুড়ি ইউনিয়নের মধ্য সোনাকুড় গ্রামের পালপাড়ায় এ ভাঙন দেখা দেয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে হঠাৎ নদীর তীরে ভাঙন শুরু হলে ঘরবাড়িতে থাকা মানুষজন তাড়াহুড়ো করে বের হয়ে নিরাপদে আশ্রয় নেন। নদীভাঙনে স্থানীয় মনা মালোর বসতঘরটি চোখের পলকে নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। এছাড়া নদী তীরবর্তী লোকনাথ মন্দির, কালী মন্দির, দুর্গা মন্দির, শীতল মন্দির ও গঙ্গা মন্দির মারাত্মক ভাঙন ঝুঁকিতে পড়েছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, যে কোনো মুহূর্তে এই মন্দিরগুলো নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

বর্তমানে গ্রামের অমল পাল, পরিমল পাল, তৃপ্তি পাল, রবি মালো, বিপুল মালো, সুজন মালো, সঞ্জীব মালো ও রমেন পালসহ প্রায় ১০ থেকে ১২টি বসতবাড়ি চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভিটেমাটি হারানোর ভয়ে গৃহহীন ও ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে।

ক্ষতিগ্রস্ত অমল পাল ও রবি মালো জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখি আমাদের ঘরের ফাটল ধরেছে। প্রাণ বাঁচাতে কোনোমতে ঘর থেকে দ্রুত বের হয়ে আসি।

অপর ক্ষতিগ্রস্ত বিপুল মালো হতাশা প্রকাশ করে বলেন, গ্রামের পাঁচটি মন্দিরই এখন ভাঙনের মুখে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব আসন্ন দুর্গাপূজা আয়োজন করা নিয়ে আমরা চরম অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছি।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গৃহহারা ও আতঙ্কে থাকা পরিবারগুলো অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। শেষ আশ্রয়টুকু নদীগর্ভে তলিয়ে গেলে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবেন সেই চিন্তায় তাদের চোখে-মুখে এখন শুধুই বিষাদের ছাপ।

ভাঙনের খবর পেয়ে আমড়াজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা আইসিটি অফিসার মো. মেহেদী হাসান ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।

তিনি জানান, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহেনা আক্তার জেলা পর্যায়ের একটি সভায় ব্যস্ত থাকায় আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি অবগত করেছি।

উল্লেখ্য, এর আগেও এই এলাকার ২০ থেকে ২২টি বসতবাড়ি সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews