1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
তেঁতুলিয়ায় থামছে না অবৈধ বালু উত্তোলন, বাড়ছে নদীভাঙনের শঙ্কা - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
মির্জাগঞ্জে ভাইকে না জানিয়ে পৈতৃক বসতঘর কাটার অভিযোগ বরিশালে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান স্ট্যালিন আটক বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের সঙ্গে নরসুন্দর কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ উজিরপুরে গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিকে সংবর্ধনা, জনতার ঢল গেইলের বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে টি-টোয়েন্টিতে ১৮৮ প্রিটোরিয়াসের শানায়া-নভ্যার সঙ্গে ছুটির মেজাজে অনন্যা পান্ডে, নজরকাড়া ছবি শেয়ার বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১০, ইয়াবা উদ্ধার বরিশালের মেয়ে ভারতবর্ষের প্রথম নারী চিকিৎসক ভোলার গ্যাস বদলে দিতে পারে দেশের জ্বালানির ভবিষ্যৎ বরিশালে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ গ্রেফতার ১

তেঁতুলিয়ায় থামছে না অবৈধ বালু উত্তোলন, বাড়ছে নদীভাঙনের শঙ্কা

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৮১ 0 বার সংবাদি দেখেছে

সরকারিভাবে বালুমহালের ইজারা বন্ধ থাকলেও পটুয়াখালীর বাউফলের তেঁতুলিয়া নদীতে থামছে না অবৈধ বালু উত্তোলন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি চক্র দিন-রাত ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তীরবর্তী এলাকায় নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে।

উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা ও নিমদী, কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর ও মঠবাড়িয়া, কাজীপাড়া ইউনিয়নের কারখানা এবং চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে ভয়াবহ নদীভাঙনে অসংখ্য বসতভিটা, কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, চলতি বর্ষা মৌসুমে ভাঙন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।

বড় ডালিমা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, প্রায় প্রতিদিনই ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা হয়। এরপর থেকেই নদীর পাড় দ্রুত ভাঙছে। প্রশাসন মাঝে মাঝে অভিযান চালালেও কিছুদিন পর আবার আগের মতো বালু উত্তোলন শুরু হয়।

নিমদী গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, আমাদের কয়েক বিঘা জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এখন বসতভিটাও হুমকির মুখে। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে অনেক পরিবার সর্বস্ব হারাবে।

জানা গেছে, নদীভাঙনের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে চলতি বছর তেঁতুলিয়া ও লোহালিয়া নদীতে কোনো বালুমহাল বা জলমহালের ইজারা দেয়নি সরকার। বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলামের লিখিত আবেদনের পর জেলা প্রশাসন ইজারা কার্যক্রম স্থগিত রাখে।

স্থানীয়দের দাবি, কয়েকদিন আগে একটি চিহ্নিত চক্র দুটি ড্রেজার মেশিন দিয়ে তেঁতুলিয়া নদীর কালাইয়া পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন করছিল। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন ট্রলার নিয়ে তাদের বাধা দিতে গেলে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়।

পরিবেশ সচেতন ব্যক্তি এম এ বশার বলেন, অবৈধ ড্রেজিংয়ের কারণে নদীর তলদেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এতে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের পাশাপাশি তীরবর্তী বসতি, কৃষিজমি ও বিভিন্ন স্থাপনা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

তেঁতুলিয়া ও লোহালিয়া নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং নদীভাঙনকবলিত এলাকাগুলো রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, নদীভাঙনের কারণে এ বছর তেঁতুলিয়া নদীর কোনো পয়েন্টে বালুমহাল বা জলমহালের ইজারা দেওয়া হয়নি। অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews