1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ধর্ষণে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, সৎ বাবার প্রাণদণ্ড - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

ধর্ষণে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, সৎ বাবার প্রাণদণ্ড

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // বছর তিনেক আগে ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকায় ধর্ষণের ফলে সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার মামলায় তারই সৎ বাবাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি দণ্ডিতকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত ব্যক্তির নাম জামাল হোসেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণের বিচারক বলেছেন, জামাল হোসেন ১৩ বছরের কিশোরিকে পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছেন।

‘সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আদালত তার কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হবে যদি এই অপরাধের জন্য যথোপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা না হয়; যা কেবল দুর্ভাগ্যজনক ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধেই নয়, ভুক্তভোগী যে সমাজের অন্তর্ভুক্ত, সেই সমাজের বিরুদ্ধেও সংঘটিত হয়েছে। এটি আদালতের দায়িত্ব সমাজের আর্তনাদে সাড়া দেওয়া এবং একটি ঘৃণ্য অপরাধের জন্য যথাযথ শাস্তি নির্ধারণ করা।’

৫৬ বছর বয়সি জামাল হোসেন ঘৃণ্য অপরাধ করেছেন বলেও পর্যবেক্ষণে বলেন বিচারক।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ কুমার গোমেজ জানান, রায় ঘোষণার আগে আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অর্থদণ্ডের টাকা পরিশোধ না করলে তা আদায়ে দণ্ডিতের স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ওই অর্থ ভুক্তভোগীকে বা তার আইনগত উত্তরাধিকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে পরিশোধ করতে জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান পঙ্কজ কুমার।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ওই কিশোরী তার মা ও সৎ বাবার সঙ্গে কামরাঙ্গীরচর এলাকায় থেকে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল। মা না থাকার সুযোগে ২০২৩ সালের ২৮ অগাস্ট জামাল হোসেন ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এর আগেও কয়েকদফা ধর্ষণের শিকার হয় ওই কিশোরী। পরবর্তীতে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে এবং সন্তান জন্ম দেয়।

এ ঘটনায় কিশোরীর মা ২৮ অগাস্ট কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ আলী হোসেন ২০২৫ সালের ২৩ জানুয়ারি জামালের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত বছরের ২৪ অগাস্ট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে। আসামির আত্মপক্ষ শুনানি, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনাল থেকে আসামির সর্বোচ্চ সাজার রায় এল।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews