
হাদিসেও একাধিকবার নামাজ আদায়ের কথা এসেছে। সেই সঙ্গে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ওয়াক্তমতো নামাজ আদায়ের ওপরও। এমনকি খোদ মহান আল্লাহর কাছেও যথাসময়ে সালাত আদায় করা অধিক প্রিয় আমল।
নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে তাড়াহুড়াও করা উচিত নয়। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন- আমি রাসুলুল্লাহ (সা.) এর চেয়ে সংক্ষিপ্ত ও পরিপূর্ণ সালাত আর কারও পেছনে আদায় করিনি। অথচ তার সালাত হতো পূর্ণাঙ্গ। রাসুল (সা.) যখন ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’ বলতেন, তখন এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন যে, আমরা মনে করতাম সম্ভবত তিনি ভুলে গেছেন। তারপর সিজদা করতেন এবং দুই সিজদার মধ্যে এত দীর্ঘসময় বসে থাকতেন যে, আমরা মনে করতাম তিনি সম্ভবত ভুলে গেছেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৯৪৫)
এ ক্ষেত্রে প্রতি ওয়াক্তে নামাজের পর বিশেষ একটি দোয়ার কথাও হাদিসে এসেছে। খোদ নবীজি (সা.) এই দোয়াটি মু’আয (রা.) কে শিখিয়েছেন। মু’আয ইবনু জাবাল (রা.) সূত্রে বর্ণিত হাদিসটি হলো- একবার রাসল (সা.) তার হাত ধরে বললেন, হে মু’আয! আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই তোমাকে ভালোবাসি, আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই তোমাকে ভালবাসি।
নবীজি (সা.) আরও বলেন, হে মু’আয! আমি তোমাকে ওয়াসিয়াত করছি, তুমি প্রত্যেক সালাতের পর এ দোয়াটি কখনো পরিহার করবে না- ‘আল্লাহুম্মা আইন্নি আলা জিকরিকা, ওয়া শুকরিকা, ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা’ (অর্থ: হে আল্লাহ! আপনার স্মরণে, আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশে এবং আপনার উত্তম ইবাদতে আমাকে সাহায্য করুন)। (সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ১৫২২)