1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
পিরোজপুরে প্রতিবন্ধী কার্ডে ‘দালাল ফি’ ৫ হাজার টাকা - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :

পিরোজপুরে প্রতিবন্ধী কার্ডে ‘দালাল ফি’ ৫ হাজার টাকা

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে প্রতিবন্ধী কার্ড করতে গিয়ে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে সাড়ে চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

 

অনলাইন আবেদন, ফর্ম পূরণ ও জমা দেওয়া থেকে শুরু করে কার্ড হাতে পাওয়া পর্যন্ত ধাপে ধাপে নির্দিষ্ট দালালকে টাকা দিতে হয় বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক সেবাগ্রহীতা।

 

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে এসে ফর্ম জমা দিতে না পেরে এমন অভিযোগ করেন সোহাগদল ইউনিয়নের শেখপাড়া গ্রামের সাহানা নামে এক নারী।

 

 

পিরোজপুরে প্রতিবন্ধী কার্ডে ‘দালাল ফি’ ৫ হাজার টাকা

সুনামগঞ্জে একদিনে ২ মরদেহ উদ্ধার

ভুক্তভোগী সাহানা বেগমের অভিযোগ, তাদের এলাকার হাফিজা আক্তার নামে এক নারী এলাকায় ঘুরে ঘুরে প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেন।

অভিযোগকারী জানান, তার ছোট প্রতিবন্ধী ছেলের কার্ড করার জন্য হাফিজা আক্তারকে অনলাইন আবেদন বাবদ প্রথমে ৫০০ টাকা দেন। প্রায় দুই সপ্তাহ পর হাফিজা একটি ফর্ম এনে সেটি অফিসে জমা দেওয়ার পর আরও ২ হাজার টাকা দাবি করেন। কার্ড পাওয়ার পর আরও ২ হাজার টাকা দিতে হবে বলেও তাকে জানানো হয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী সাহানা বেগমের।

 

 

তিনি বলেন, তার স্বামী করাতকলে সামান্য বেতনে কাজ করেন। অতিরিক্ত টাকা দিতে না পারায় তিনি নিজেই উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে এসে সমাজসেবা অফিসের ইউনিয়ন সমাজকর্মী রেহানাকে বিষয়টি জানান।

 

তার দাবি, একই এলাকা থেকে আরও কয়েকজনের কাছ থেকেও ফর্ম জমা দেওয়ার জন্য ৫০০ টাকা এবং পরে ২ হাজার টাকা করে নিয়েছে হাফিজা।

 

অভিযোগকারীর দাবি, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের ইউনিয়ন সমাজকর্মী রেহানা বেগমের স্বামীর সঙ্গে কথিত দালাল হাফিজা আক্তারের সখ্যতা রয়েছে। টাকা দেওয়া ব্যক্তিদের প্রতিবন্ধী কার্ড পেতে তেমন বেগ পেতে হয় না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

রোববার সরেজমিনে কার্যালয়ে গিয়ে কথিত দালাল হাফিজা আক্তারকে না পাওয়া গেলেও আকলিমা নামে আরেক নারী দালালকে বেশ কয়েকটি প্রতিবন্ধী কার্ডের ফর্মের কাগজসহ দেখা যায়।

 

এসময়, ক্যামেরার সামনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দ্রুত সরে যান। পরে ইউনিয়ন সমাজকর্মী রেহানা বেগমের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অফিসে এসে বসে থাকা রেহানার স্বামী প্রথমে তার স্ত্রী অসুস্থ উল্লেখ করে কথা বলতে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে রেহানা বেগম তার স্বামীকে অফিস থেকে চলে যেতে বললে তিনি বেরিয়ে যান।

 

অভিযোগ অস্বীকার করে ইউনিয়ন সমাজকর্মী রেহানা বেগম বলেন, ‘আমি কোনো দালালকে চিনি না। অফিসে এসে ফর্ম জমা দিলেই স্যারের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করি। দালালদের সঙ্গে আমার স্বামীর কোনো সখ্যতা নেই।’

 

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দীন বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। অফিসের কাজে একটু বাইরে আছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। প্রতিবন্ধী ফর্ম পূরণসহ কার্ড পেতে অফিসে কোনো টাকা লাগে না।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews