
বরিশালে মিছিল নিয়ে এসে বিভাগীয় কমিশনার ও ডিআইজি কার্যালয়ের পাশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন, জাকির হোসেন, আমিনুল ইসলাম নয়ন, তানভির আহমেদ মুন্না ও আনিসুর রহমান মঞ্জু। তারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন কুমার আইচ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এয়ারপোর্ট থানার উপ-পরিদর্শক ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সকালে সন্ত্রাস দমন আইনে একই থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার বাদী এয়ারপোর্ট থানার উপ-পরিদর্শক ইদ্রিস আলী জানান, মামলায় আসামি হিসেবে ২৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া শতাধিক অজ্ঞাত আসামি রয়েছে। গ্রেপ্তার পাঁচজন মামলার এজাহার নামিয় আসামি।
এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, সিসিটিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। তাদের মধ্যে থেকে পাঁচজন গ্রেপ্তার হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে বুধবার দুপুরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের কাশিপুর এলাকায় বিভাগীয় সদর দপ্তরের কাছে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ অনুসারী নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে এসে ককটেল ফাটিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।