
নিউজ ডেস্ক।।
বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিভিন্ন অভিযোগকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেখা দিয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী ও তাঁর দপ্তর সংশ্লিষ্টদের দাবি, ব্যক্তিগত ও আর্থিক সুবিধা না পাওয়ায় একটি স্বার্থসংশ্লিষ্ট মহল দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী দপ্তরের সংশ্লিষ্টরা জানান, স্থানীয় কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন সময় মুঠোফোনে নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করে আর্থিক সহায়তা কিংবা বিভিন্ন ধরনের সুবিধা দাবি করেছেন। এসব দাবি পূরণ না হওয়ায় তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে বিভিন্ন অভিযোগ ও অপপ্রচারে জড়িয়েছেন বলে তাঁদের দাবি।
তাঁদের আরও দাবি, মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কয়েকজন নিজেদের ঠিকাদার পরিচয় দিলেও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের মধ্যে তাঁদের পরিচয় নেই। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রকৃত ঠিকাদারদের মধ্যেও ক্ষোভ ও অসন্তোষ রয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, ঠিকাদারদের নাম ব্যবহার করে কোনো মহল অপপ্রচার চালালে তা প্রকৃত ঠিকাদারদের জন্যও বিব্রতকর। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করা ঠিকাদারদের কেউই এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করছেন না বলেও তাঁরা দাবি করেন।
নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমার কর্মকাণ্ডই প্রমাণ করবে আমি কতটুকু সৎ বা অসৎ। কারও অপপ্রচারে কান না দিয়ে আমি সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের দপ্তরের স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে এ ধরনের কোনো অভিযোগ নেই। দপ্তরের বাইরে কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে মানববন্ধন বা প্রচারণা করছে, সেটি দপ্তরের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজন হলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
নির্বাহী প্রকৌশলী দপ্তরের কর্মকর্তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি মহল বিভিন্নভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। বিষয়টি প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট মহলও অবগত রয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন। তবে এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সচেতন নাগরিক ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৃত ঠিকাদারদের কেউ সমর্থন করছেন না বলেও তাঁদের দাবি।
এদিকে মানববন্ধনে একটি ছাত্র সংগঠনের পরিচয়ে অংশ নেওয়া এক ব্যক্তিকে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর। তাঁদের দাবি, ওই ব্যক্তি কিছুদিন আগে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়েছিলেন। সেই সহায়তা না পাওয়ার পর থেকেই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়েছেন বলে তাঁরা দাবি করেন।