1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বাউফলের লালচরে একের পর এক মহিষের মৃত্যু, কৃষকের ধারণা ‘চাঁদা না দেওয়ার জের’ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

বাউফলের লালচরে একের পর এক মহিষের মৃত্যু, কৃষকের ধারণা ‘চাঁদা না দেওয়ার জের’

  • প্রকাশিত : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮ 0 বার সংবাদি দেখেছে

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের লালচর এলাকায় একের পর এক মহিষের মৃত্যু হচ্ছে। বিষক্রিয়ায় ইতোমধ্যে ৫ মহিষের মৃত্যু এবং আরও অন্তত ৩১টি অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।

‘খাসজমি ও চাঁদা দাবি নিয়ে সাবেক এক ছাত্রদল নেতার সঙ্গে বিরোধের জেরে’ মাঠে বিষ প্রয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। পর পর মহিষের প্রাণহানির ঘটনায় চরম আতঙ্ক ও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন চরাঞ্চলের এসব কৃষক।

তাদের অভিযোগ, লালচরের নিয়মিত চারণভূমির ঘাসে দুর্বৃত্তরা বিষাক্ত পদার্থ প্রয়োগ করে থাকতে পারে। সেই ঘাস খাওয়ার পরই একে একে মহিষগুলো ঢলে পড়ে।

ভুক্তভোগী কৃষক বাবুল মৃধা, সুমন মাঝি, আসাদুল ফকির, নূর মোহাম্মদ, চান্দু মিয়াসহ একাধিক কৃষক জানান, মাঠ থেকে গোয়ালঘরে ফেরার পর খাবার খেয়ে হঠাৎ মহিষগুলো অসুস্থ হতে শুরু করে। এর কিছুক্ষণ পর পাঁচটি মহিষ মারা যায় এবং ৩১টি অসুস্থ হয়ে পড়ে।

এর আগে গত ২২ আগস্ট একই ইউনিয়নের মমিনপুরের লালচর এলাকায় বিষক্রিয়ায় দুটি মহিষ মারা যায় এবং একটি নিখোঁজ হয়। পরবর্তীতে ২৮ আগস্ট একই এলাকায় ঘাস খেয়ে অন্তত ৩১টি মহিষ অসুস্থ হয়, যার মধ্যে তিনটি মারা যায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, লালচরের খাসজমিতে মহিষ চরানো নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে এলাকায় রাজনৈতিক বিরোধ ও উত্তেজনা চলছে।

কৃষকদের অভিযোগ, চরে সাবেক এক ছাত্রদল নেতার মহিষপ্রতি ২০০ টাকা করে ‘চাঁদা দাবি’ করা হচ্ছিল। টাকা না দিলে চরাতে বাধা দেওয়া হচ্ছিল।

এই ‘বিরোধের জেরেই’ ঘাসে বিষপ্রয়োগ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে খামারিদের মাঝে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বাউফল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শুভেন্দু সরকার বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত অসুস্থ মহিষগুলোকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। আক্রান্ত মহিষের রক্ত কালচে হয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা পড়ার লক্ষণ দেখে প্রাথমিকভাবে নাইট্রেট বিষক্রিয়া সন্দেহ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আক্রান্ত ঘাস ও মৃত মহিষের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকার কেন্দ্রীয় রোগ অনুসন্ধান গবেষণাগারে (সিডিআইএল) পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বাউফল থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘাস ও খাদ্য বিষক্রিয়ার পেছনে কোনো অসাধু চক্রের হাত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews