
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে ভুক্তভোগী মর্জিনা বেগম বাদী হয়ে বাউফল থানায় মামলাটি করেন। তিনি ফরিদ উদ্দিন তালুকদারের স্ত্রী।
মামলার অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে ফরিদ উদ্দিন তালুকদার তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৪০) ও ছেলে আলিফ তালুকদারকে (২৩) সঙ্গে নিয়ে বাউফল প্রেস ক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভা শেষে সন্ধ্যার দিকে প্রেস ক্লাব থেকে বের হওয়ার সময় ক্লাবের সামনের সড়কে মাসুম বিল্লাহ ওরফে হাজি পলাশের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনজনই আহত হন।
জানা গেছে, ওই মতবিনিময় সভায় ফরিদ উদ্দিন তালুকদার নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। একই পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ রয়েছে মাসুম বিল্লাহ ওরফে হাজি পলাশেরও। এর পরপরই হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মাসুম বিল্লাহ ওরফে হাজি পলাশ বলেন, ‘আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। বরং ফরিদ উদ্দিন তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাহাঙ্গীর তালুকদার এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক সফল মাস্টারের নেতৃত্বে আমার ওপর হামলা করা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে করা মামলাটি মিথ্যা।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় ১৫ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’