1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
মরক্কো থেকে একদিনেই স্পেনে ঢুকেছে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :
ঝালকাঠিতে অসহনীয় লোডশেডিং চলমান, চরম ভোগান্তিতে জনজীবন! নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও সুন্দরবনে বিষের মহোৎসব বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি বিএনপি সমর্থিত দিপু, সম্পাদক জামায়াত সমর্থিত জালাল ইউনিয়নে দেড় কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে বদলে গেছে জনজীবন ৩৪ বছর বয়সেও উচ্চতা মাত্র ২৮ ইঞ্চি পার্বতীপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শহীদুল ইসলামের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন নড়াইলে জাল দলিলে নামজারি ভূমি অফিসের নায়েবদের ভয়াবহ জালিয়াতি  বরিশালে সন্তানের সামনে বৃদ্ধা মাকে কুপিয়ে জখম, থানায় অভিযোগ  নরসিংদীতে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে হত্যা ইরানে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করলেন ট্রাম্প

মরক্কো থেকে একদিনেই স্পেনে ঢুকেছে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৩ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // মরক্কো থেকে উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিটমহল সেউতায় ২৪ ঘণ্টায় ঢুকেছে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী। সেউতার প্রেসিডেন্ট একথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, সেউতায় ঢোকার চেষ্টার সময় অন্তত ৩৪ জন নিহত হয়েছে।

বিবিসি’র খবরে বলা হয়েছে, স্পেনের সুপ্রিম কোর্ট এ মাসেই একটি আদেশ দেয়। তাতে বলা হয়, সেউতা বা স্পেনের আরেক ছিটমহল মেলিলায় পৌঁছানোর চেষ্টা করার সময় সমুদ্রে ধরা পড়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অবিলম্বে মরক্কোয় ফেরত পাঠানো যাবে না। এই আদেশের পরই সেউতায় অভিবাসপ্রত্যাশীদের এমন ঢল দেখা গেল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী সাঁতরে কিংবা ইনফ্লেটেবল রিংসহ ভাসমান সরঞ্জাম ব্যবহার করে সেউতার উপকূলে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। আবার কেউ কেউ সীমান্তঘেরা একটি প্রবেশপথ দিয়ে দৌড়ে ভেতরে ঢুকে পড়ছেন।

উত্তর আফ্রিকার মরক্কো উপকূলে অবস্থিত সেউতা স্পেনের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। জিব্রাল্টার প্রণালির ওপারে এ এলাকা ইউরোপে প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের এই গণহারে অনুপ্রবেশকে ‘হামলা’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, সব অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে যত দ্রুত সম্ভব মরোক্কোয় ফেরত পাঠানো হবে।

কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের নেতারাও অভিবাসনপ্রত্যাশীদের এই ঢল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন| তাদের কেউ কেউ সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ২৫ হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী স্বেচ্ছায় মরোক্কোয় ফিরে গেছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নাম এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট উভয়ই স্পেনকে সাহায্য করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

সম্প্রতি অনুপ্রবেশের চেষ্টা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় কর্মকর্তারা স্পেনের মাদ্রিদ সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ভেঙে পড়ায় চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

সর্বশেষ স্থানীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সেউতা শহরের জনসংখ্যা প্রায় ৮৩ হাজার ৬০০ জন। কিন্তু যত সংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী সেখানে ঢোকেন, তা ছিল শহরটির জনসংখ্যার প্রায় ৭০ শতাংশ।

স্পেন সেউতা এবং তার প্রতিবেশী শহর মেলিলায় নিরাপত্তা জোরদার করতে তাদের সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে। মেলিলাতেও সারারাত ৩শ’ থেকে ৪শ’ মানুষের ঢোকার খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার সেউতা পরিদর্শন করার সময় স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজ বলেছেন, তার সরকার মরোক্কোর সঙ্গে স্পেনের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করবে।

মরক্কো থেকে সীমান্ত পেরিয়ে স্পেনে ঢোকা মানুষদের বেশির ভাগই তরুণ ও পুরুষ। তবে এই ভিড়ের মধ্যে নারী, শিশু এমনকি শিশুও রয়েছে। কর্মকর্তারা আনুমানিক হিসাব দিয়ে বলেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় অবৈধভাবে যারা ঢুকেছে তাদের মধ্যে অন্তত ৭ হাজার জনই অপ্রাপ্তবয়স্ক।

সাধারণত সেউতায় ঢোকার জন্য অভিবাসীরা দূরের উপকূল থেকে কয়েক কিলোমিটার সাঁতরে আসেন। কিন্তু এবার তারা খুব সহজেই সীমান্ত বেড়ার একদম কাছে চলে আসেন। শুরুতে কেউ কেউ জেটির পাথর ঘেঁষে এবং এর শেষ প্রান্ত ঘুরে হেঁটে এসেছিলেন, তবে বেশিরভাগকেই সমুদ্রের দিকে সাঁতরে অন্য পাশের সৈকতে পৌঁছাতে হয়েছে।

এ সময় মরক্কোর সীমান্তরক্ষীরা কোথায় ছিলেন এবং কেন তারা অভিবাসীদের ছত্রভঙ্গ করেননি বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেননি তা স্পষ্ট নয়।

এর আগে ২০২১ সালেও একইভাবে বিপুল মানুষের ঢল নেমেছিল, যদিও তা বর্তমান সময়ের মতো এত বেশিমাত্রায় ছিল না। ওই সময় পশ্চিম সাহারার সার্বভৌমত্ব নিয়ে মাদ্রিদের সঙ্গে বিরোধের জেরে মরক্কো কর্তৃপক্ষ প্রায় ৮ হাজার মানুষকে সীমান্ত পেরোতে দিয়েছিল।

সেই কূটনৈতিক বিরোধই সাম্প্রতিক সময়ে আবার চাঙ্গা হয়ে উঠেছে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের আলজেরিয়া সফরের পর। আলজেরিয়া পশ্চিম সাহারার স্বাধীনতাকে সমর্থন করে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews