1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বোমাবাজি-সংঘর্ষের পর ভূরঘাটায় শান্তির বৈঠক, মিটল দুই পক্ষের বিরোধ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

বোমাবাজি-সংঘর্ষের পর ভূরঘাটায় শান্তির বৈঠক, মিটল দুই পক্ষের বিরোধ

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৩ 0 বার সংবাদি দেখেছে

গৌরনদী প্রতিনিধি // দুই ঘণ্টার সংঘর্ষ, বোমাবাজি ও ভাঙচুরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠা বরিশাল-মাদারীপুর সীমান্তের ভূরঘাটা বাসস্ট্যান্ডে অবশেষে ফিরেছে শান্তির বার্তা। শুক্রবারের সংঘর্ষের পর রোববার শালিস বৈঠকে বসে বিরোধে জড়িত দুই পক্ষ। দীর্ঘ আলোচনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো বিরোধে না জড়িয়ে মিলেমিশে থাকার অঙ্গীকার করেন উভয় পক্ষ। রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক সংলগ্ন স্থানীয় একটি মাঠে এ শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিশোর কুমার দাস, কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহিরুল আলম, ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান মাহমুদ, গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তারিক হাসান রাসেলসহ দুই পক্ষের লোকজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উভয় পক্ষের বক্তব্য ও বিরোধের বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে শোনা হয়। পরে প্রশাসন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের নিষ্পত্তি করা হয়। এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে ভূরঘাটা বাসস্ট্যান্ডে একটি লোকাল বাসের টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে দুই ব্যক্তির মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে গৌরনদী ও কালকিনি এলাকার লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে তা দফায় দফায় সংঘর্ষে রূপ নেয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। এ সময় বোমাবাজি, ভাঙচুর ও কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষের কারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনার পর দুই এলাকার মানুষের মধ্যে উত্তেজনা ও উদ্বেগ তৈরি হলেও রোববারের শালিস বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের সমাধান হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বৈঠকের শেষে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে কোনো ধরনের সংঘাতে না জড়িয়ে পরস্পরের প্রতি সহনশীল থেকে মিলেমিশে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস এবং এলাকায় সম্প্রীতি বজায় রাখার অঙ্গীকার করেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews