1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ভাঙ্গা–বরিশাল, সরু সড়কে বেশি যান, বেড়েছে দুর্ঘটনা - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :
পরকীয়া সম্পর্কের জেরে হত্যাকাণ্ড, র‍্যাবের হাতে মূলহোতা আটক মেহেন্দিগঞ্জ থানা বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মনোনীত! দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে দেড় বছর পর আবারও চালু হলো ১০ শয্যার আইসিইউ সেবা পাটগাতী-বাগেরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে বাঁশের হাট, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি খুলনা-বরিশাল বিভাগের ৫ জেলায় পরিবহন ধর্মঘট এক মাসের জন্য স্থগিত সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক বদলির ক্ষমতা পাচ্ছেন ডিসি-ইউএনওরা জামায়াত কর্মীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর চেষ্টা বাতিল হচ্ছে হান্নান মাসউদের এমপি পদ, দাবি রাশেদ খাঁনের বেড়িবাঁধকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ২০

ভাঙ্গা–বরিশাল, সরু সড়কে বেশি যান, বেড়েছে দুর্ঘটনা

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২ আগস্ট, ২০২২
  • ৫১৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে
ডেক্স রিপোর্ট // পদ্মা সেতু চালুর পর বরিশালসহ দক্ষিণের বিভিন্ন সড়কপথে যানবাহনের চলাচল আগের তুলনায় বেড়েছে। যানবাহনের চাপ যত বেড়েছে সেই তুলনায় সড়ক ততটা প্রশস্ত হয়নি।

অপ্রশস্ত সড়কে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। গত ২৬ জুন সেতু চালুর পর এক মাসে ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে অন্তত ১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন শতাধিক। সেতু চালুর আগে জুন মাসে এ মহাসড়কে ৬টি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ১৫ জনের। আর মে মাসে নিহত হয়েছিলেন ১৭ জন।

সড়ক ও পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মহাসড়কে এ প্রাণহানি ও দুর্ঘটনা বেড়ে যাওয়ার পেছনে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম অপ্রশস্ত মহাসড়ক, যানবাহনের সংখ্যা ও চলাচল কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়া, বেপরোয়া গতি ও বাঁক। পদ্মা সেতু চালুর পর এ সড়কপথে নতুন ৫০০ বাস নেমেছে বলে জানান বরিশাল বাসমালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক কিশোর কুমার দে।

পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পদ্মা সেতুর কল্যাণে ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটাসহ দক্ষিণের ছয় জেলায় মহাসড়কের গাড়ি চলাচল আগের তুলনায় কয়েক গুণ বাড়লেও সে অনুযায়ী সড়ক প্রশস্ত করা হয়নি। ফলে বর্ধিত যান চলাচলের উপযোগী নয় ২৪ ফুট প্রশস্ত পুরোনো মহাসড়ক।

ঢাকা প্রান্ত থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ৫৫ কিলোমিটার সুপ্রশস্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেসওয়ের পর ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত প্রায় ২০৫ কিলোমিটার মহাসড়ক ২৪ ফুট রয়ে গেছে। এক মাস ধরে সরু এ সড়কে দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে।

সড়ক ও সেতু বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর এই এক মাসে সেতু দিয়ে ৬ লাখ ১৬ হাজার ৬৫৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। ২০১০ সালে নকশা প্রণয়নের দায়িত্বে থাকা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ৩৫ বছরে যানবাহনের সংখ্যা ও আয়ের একটি ছক তৈরি করেছিল। সে অনুযায়ী, চলতি বছর প্রতিদিন পদ্মা সেতু দিয়ে গড়ে ২৩ হাজার ৯৫৪টি যানবাহন চলাচলের কথা।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের তথ্য অনুযায়ী, সেতু চালুর পর এক মাসে দুর্ঘটনায় অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২১ জুলাই দুপুরে উজিরপুরের নতুন শিকারপুর এলাকায় মাইক্রোবাস ও বাসের মুখোমুখী সংঘর্ষে ছয়জন নিহত হন। আগের দিন বাকেরগঞ্জে বিআরটিসি বাসের চাপায় পিষ্ট হয়ে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের ছয় যাত্রী নিহত হন। বড় এ দুটি দুর্ঘটনা ছাড়াও মহাসড়কের খাঞ্জাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন, বাবুগঞ্জের ছয় মাইল এলাকায় একজন, নতুন শিকারপুরে অটোভ্যানের চাপায় একজনসহ মোট ২৫ জন নিহত হন।

গৌরনদী হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শেখ বেল্লাল হোসেন বলেন, অতিরিক্ত গতির কারণে মহাসড়কে দুর্ঘটনা বেড়েছে। মহাসড়ক সরু ও অনেক স্থানে বাঁক থাকায় দুর্ঘটনাগুলো ঘটছে।

তবে মহাসড়কে ঘন ঘন বাঁকও দুর্ঘটনার অন্যতম একটি কারণ। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুর জয়শ্রী বাজার থেকে বরিশাল বিমানবন্দর মোড় পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার সড়ক এলাকায় ১০টি ছোট–বড় বিপজ্জনক বাঁক আছে। এসব বাঁকে প্রায়ই বড় ধরনের দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। শিকারপুর এলাকায় আছে বিপজ্জনক একটি বাঁক। ২১ জুলাই মহাসড়কের এ অংশে নতুন শিকারপুর এলাকায় বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয়জন নিহত হন। বাঁকের মোড়ে গাছ থাকায় অপরপ্রান্তের যানবাহন চালকদের চোখে পড়ে না।

মহাসড়কটি প্রশস্ত করতে ২০১৮ সালের অক্টোবরে ভাঙ্গা–বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়ক প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প একনেকে পাস হয়। কিন্তু সে প্রকল্পে এখনো জমি অধিগ্রহণ করা যায়নি। ফলে কবে নাগাদ মহাসড়কের নির্মাণকাজ শুরু হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। প্রকল্প প্রস্তাবে ২০২০ সালের জুনের মধ্যে এক্সপ্রেসওয়ের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু ২০২২ সালের জুনেও সেই কাজ শুরু করতে পারেনি সড়ক ও সেতু বিভাগ। এরই মধ্যে পর পর তিনবার ফেরত গেছে প্রকল্পের বরাদ্দ অর্থ।

জানতে চাইলে সচেতন নাগরিক কমিটি বরিশালের সভাপতি অধ্যাপক শাহ সাজেদা বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে দক্ষিণাঞ্চলের সরু সড়কপথকে চার লেনে উন্নীত করা জরুরি ছিল। এ কাজ দ্রুত শুরু করে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিতে হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews