
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর ১টায় হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর তোমরা ও তোমাদের শিক্ষকরা। বিশ্বায়নের এই যুগে টিকে থাকতে হলে তোমাদেরকে যোগ্য ও দক্ষ হিসেবে তৈরি হতে হবে। শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে জনসংখ্যা কোনো সমস্যা হবে না, বরং জনসম্পদে রুপান্তরিত হবে।’
তিনি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এখানে নার্সিং বিভাগ নেই। অথচ বিশ্বে নার্সিংয়ের চাহিদা রয়েছে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মানসম্পন্ন গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন হবে ফলাফলের ভিত্তিতে। আন্তর্জাতিক মানে বিশ্ববিদ্যালয় যতই এগিয়ে যাবে উন্নয়ন বরাদ্দ সেই অনুপাতে দেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা জনগণের টাকায় টাকায় লেখাপড়া করে। প্রতি শিক্ষার্থীর পেছনে এই বিশ্ববিদ্যালয় বছরে ৮ লাখ টাকা ব্যয় করে। এ কারণে জনগণের প্রতি শিক্ষার্থীদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
হাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্ল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া এমপি, দিনাজপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ চৌধুরী, রংপুর-১ আসনের এমপি মো. রায়হান সিরাজী ও দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল।
অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন হাবিপ্রবি প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার, ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম জাহাঙ্গীর কবির, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. আবু হাসান ও প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. নওশের ওয়ান।অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন হাবিপ্রবির কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের প্রফেসর ড. মো. ফারুক হাসান ও উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মহিদুল হাসান।