1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
শিল্পনগরী টঙ্গীতে ছিনতাই আতঙ্ক, ঝুঁকিতে শ্রমিক ও কর্মজীবীরা - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

শিল্পনগরী টঙ্গীতে ছিনতাই আতঙ্ক, ঝুঁকিতে শ্রমিক ও কর্মজীবীরা

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬
  • ১৪ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

শিল্পনগরী টঙ্গীতে ছিনতাই আতঙ্ক দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে বিআরটি প্রকল্পের উড়ালসড়ক, টঙ্গী স্টেশন রোড, বাটাগেট, আব্দুল্লাহপুর সংযোগ সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত সময়কে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাতায়াতকারী মানুষ।

 

প্রতিদিন ভোর হলেই শিল্পনগরী টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকা দিয়ে হাজার হাজার শ্রমিক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রী কর্মস্থল, অফিস-আদালত ও নিজ নিজ গন্তব্যে বের হন। গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় কর্মরত লাখো শ্রমিকের বড় একটি অংশ টঙ্গীর এসব সড়ক ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেকের অভিযোগ, ভোরের নির্জন সময়টিকে কাজে লাগিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে ছিনতাইকারী চক্র।

 

অন্ধকার কাটার আগেই অনেক পোশাক শ্রমিক, কারখানার কর্মী ও কর্মজীবী মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল আরোহী, একা চলাচলকারী পথচারী ও ভোরের শিফটে যাওয়া শ্রমিকরা ছিনতাইকারীদের সহজ টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, টঙ্গী বিআরটি উড়ালসড়ক ও আশপাশের এলাকায় দিনের বেলায় মানুষের চলাচল থাকলেও ভোররাত ও রাতের সময়ে অনেক অংশ নির্জন হয়ে পড়ে। পর্যাপ্ত আলো না থাকা এবং নিয়মিত নজরদারির ঘাটতির সুযোগ নেয় অপরাধীরা।

 

টঙ্গীর সাতাইশ এলাকার বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, রাতে কিংবা ভোরে উড়ালসড়ক দিয়ে চলাচল করতে ভয় লাগে। অনেকেই ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন। শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে দল বেঁধে চলাচল করেন।

 

পোশাক শ্রমিক আবু হানিফ বলেন, কারখানায় অনেকের ডিউটি শুরু হয় ভোরে। আবার অনেকের ছুটি হয় রাতে। এই সময় রাস্তায় বের হতে ভয় লাগে। ছিনতাইকারীরা অস্ত্র নিয়ে থাকে।

 

টঙ্গী বাজার এলাকার ব্যবসায়ী আবদুল কাদের বলেন, টঙ্গী একটি শিল্প এলাকা। প্রতিদিন লাখো মানুষের চলাচল। এখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, টঙ্গী স্টেশন রোড থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বিআরটি ফ্লাইওভার ও সংযোগ এলাকাগুলোতে স্থায়ীভাবে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং সার্বক্ষণিক পুলিশি টহল নিশ্চিত করা গেলে অপরাধ অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ছিনতাই ও মাদকবিরোধী অভিযানে বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। টঙ্গী পূর্ব ও পশ্চিম থানা পুলিশ, র‍্যাব এবং অন্যান্য সংস্থা অপরাধ দমনে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

 

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িতদের অনেকেই মাদকাসক্ত। মাদকের অর্থ জোগাড় করতে তারা অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। ছিনতাইকারী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, উড়ালসড়ক ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত টহল দেওয়া হচ্ছে। ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের কার্যক্রম চলছে।

 

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বেলায়েত হোসেন বলেন, ছিনতাইসহ সব ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জিএমপি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। শিল্পনগরী টঙ্গীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews