বুধবার (৪ নভেম্বর) দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ১০ নভেম্বর এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও সভাপতিকে শিক্ষা বোর্ডে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে সমস্যাগুলো আগে জানতে হবে তারপর কি ব্যবস্থা নেয়া যায় তা নির্ধারণ করা হবে।
নোটিশ পাওয়া ১১ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পটুয়াখালীর তিনটি, ভোলার তিনটি, বরগুনার দুটি, পিরোজপুরের দুটি এবং ঝালকাঠির একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বিপিসি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়িয়া কলেজ এবং সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ছাবিনা আক্তার স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চরমানিকা জালাল আহম্মেদ কলেজ, লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং সদর উপজেলার মেদুয়া কলেজও এ তালিকায় রয়েছে।
এ ছাড়া বরগুনার বেতাগী উপজেলার কদভানু মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ এবং পাথরঘাটা উপজেলার হোগলাপাশা কলেজ, পিরোজপুরের কদমতলা জর্জ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ ও নাজিরপুর উপজেলার দিঘিরজান স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার অ্যাডভোকেট এইচ আর কে ফাউন্ডেশন কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট অ্যান্ড কলেজকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রথম ও সর্বশেষ স্বীকৃতিপত্র, হালনাগাদ পরিচালনা কমিটির তথ্য এবং গত পাঁচ বছরের পরীক্ষার ফলের তালিকা চাওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষকে আগামী ১০ নভেম্বর শিক্ষা বোর্ডে সশরীর উপস্থিত হয়ে শূন্য পাসের কারণ ব্যাখ্যা করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।








