1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
হজের আশ্বাসে সৌদি নিয়ে নির্যাতন, টার্গেট দরিদ্র-তালাকপ্রাপ্ত নারী - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

হজের আশ্বাসে সৌদি নিয়ে নির্যাতন, টার্গেট দরিদ্র-তালাকপ্রাপ্ত নারী

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৮ আগস্ট, ২০২২
  • ৪৩৬ 0 বার সংবাদি দেখেছে
নিজস্ব প্রতিবেদক // বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান কনকর্ড অ্যাপেক্স রিক্রুটিং এজেন্সি। প্রতিষ্ঠানটি দেশের প্রত্যন্ত এলাকার দরিদ্র, তালাকপ্রাপ্ত, স্বামীর সংসারে নির্যাতিত নারীদের টার্গেট করে বিদেশে ভালো বেতন ও বিনামূল্যে হজ করার প্রলোভন দেখাতো।

এ পর্যন্ত প্রায় এক হাজার নারী শ্রমিককে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে পাঠিয়েছে। কিন্তু বিদেশে যাওয়ার পর প্রতিশ্রুতির কোনো কিছুই বাস্তবায়ন করা হতো না, বরং বিভিন্ন অবৈধ কাজে বাধ্য করা হতো নারীদের।

ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক ও তার সহযোগীকে গ্রেফতারের পর এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।সোমবার (৮ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন এ তথ্য জানান।

সম্প্রতি কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে রোববার (৭ আগস্ট) রাতে রাজধানীর পল্টন থানার সিটি হার্ট শপিং কমপ্লেক্সে অভিযান চালিয়ে কনকর্ড অ্যাপেক্স রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক আবুল হোসেন (৫৪) ও তার সহযোগী আলেয়া বেগমকে (৫০) গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় বিদেশে পাঠানোর জন্য আনা তিন নারীসহ ৩১টি পাসপোর্ট, বিভিন্ন তথ্য ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন বলেন, দেশে মানবপাচার চক্রের টার্গেটে পরিণত হয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকার দরিদ্র সহজ-সরল মানুষ।

তাদের লোভনীয় বেতনে চাকরিসহ সৌদি আরবে বিনামূল্যে হজ পালন করার প্রলোভন দেখানো হতো। কিন্তু বিদেশে নিয়ে বিভিন্ন অবৈধ কাজে বাধ্য করাসহ নির্যাতন করা হতো তাদের।

গ্রেফতার আবুল হোসেনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বৈধ প্রতিষ্ঠান কনকর্ড রিক্রটিংয়ের আড়ালে নারী পাচার ও নির্যাতনের মতো অপকর্ম করে আসছে।

তিনি এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান। তার এ কাজের অন্যতম সহযোগী আলেয়া বেগমসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অসংখ্য দালাল রয়েছে। দালালদের মাধ্যমে চক্রটি মূলত সমাজের বেকার, অল্পশিক্ষিত, অসচ্ছল ও দরিদ্র পরিবারগুলোর বিবাহিত, তালাকপ্রাপ্ত নারীদের মধ্যেপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে অধিক বেতনে চাকরি, বিমানে ওঠার অভিজ্ঞতা, রাজকীয় থাকা খাওয়া সুবিধা, স্মার্টফোন নেওয়া এবং সৌদিতে হজ করাসহ ধর্মভিত্তিক লোভনীয় চাকরি প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে পাঠাতো।

বিদেশে যাওয়ার পর প্রথমে তারা ভুক্তভোগীদের জানালাবিহীন কক্ষে আটকে রাখে এবং পরে ২-৩ দিন পর বিভিন্ন জনের বাসায় পাঠানো হতো।

বাসায় নিয়ে যাওয়ার পর তাদের দিয়ে সব ধরনের কাজ করানো হতো। কিন্তু ঠিকমতো খাবার খেতে দেওয়া হতো না।

অকারণে বেধরক মারধরের মাধ্যমে অমানবিক নির্যাতন করা হতো। এমনকি বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হতো।

চক্রের অন্যতম দালাল হিসেবে কাজ করা আলেয়া আগে পল্টন এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক সংগ্রহের কাজ করেছেন। ২০২১ সাল থেকে আবুল হোসেনের কনকর্ড রিক্রুটিং এজেন্সিতে শ্রমিক সংগ্রহের কাজ শুরু করেন।

বিদেশে পাঠানোর আগে এই শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ও বিভিন্ন সাদা কাগজে সই নেওয়া হতো বলেও জানান র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews