1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
৫ শিক্ষার্থীর জন্য ১৭ শিক্ষক-কর্মচারী - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

৫ শিক্ষার্থীর জন্য ১৭ শিক্ষক-কর্মচারী

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬
  • ১৫ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

পটুয়াখালীর বাউফলের পূর্ব ইন্দ্রকুল ফিরোজা কামাল বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় ৫ শিক্ষার্থীর জন্য মোট ১৭ শিক্ষক ও কর্মচারী রয়েছে। এ মাদ্রাসায় প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানের অনুমোদন রয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বেলা ১১টায় সরেজমিনে মাদ্রাসায় দেখা যায়, পঞ্চম শ্রেণির ওপরে কোনো শিক্ষার্থী নেই। উপস্থিত পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণিতে একজন করে এবং চতুর্থ শ্রেণিতে দুজন রয়েছে।

 

মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানে ১৩ শিক্ষক ও চারজন কর্মচারী কর্মরত আছেন। তবে পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক ও কর্মচারী মিলিয়ে সাতজন। একই কক্ষে ভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে পাঠদান করতে দেখা যায়। আবার কয়েকজন শিক্ষককে একটি কক্ষে বসে গল্প করতেও দেখা গেছে। এ সময় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির কোনো হাজিরা খাতাও পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৯৯৪ সালে স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মোতালেব মিয়া মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ২০০৪ সালে এটি এমপিওভুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তিনি মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে তার পুত্রবধূ মাহফুজা আক্তার মাদ্রাসার সুপার, মেয়ে নুরজাহার রাঢ়ি ইবতেদায়ি শিক্ষক এবং দুই ছেলে খাইরুল ইসলাম অফিস সহকারী ও সিদ্দিকুর রহমান নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

 

মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষক জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী না থাকায় স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা বলছেন, অন্য একটি এমপিওবিহীন প্রতিষ্ঠানের কিছু শিক্ষার্থী এই মাদ্রাসার মাধ্যমে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। এ ছাড়া শাপলাখালী এলাকার একটি প্রতিষ্ঠানে সম্মানীর ভিত্তিতে শিক্ষক পাঠানো হয় এবং সেখানকার কিছু শিক্ষার্থীও এ মাদ্রাসার অধীনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

 

মাদ্রাসার সুপার মাহফুজা আক্তার বলেছেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্বলতা ও বর্ষাকালে রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা এ মাদ্রাসায় ভর্তি হতে আগ্রহ দেখায় না। ফলে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি আরও জানান, এমপিওভুক্ত নয় এমন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের তাদের মাদ্রাসার অধীনে নিবন্ধন করিয়ে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews