1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
কোরবানির বাজার কাঁপাতে প্রস্তুত লালমোহনের মানিক - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :
কারিগরি মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের অধিকার নিয়ে আবারও বৈষম্যের অভিযোগ বাগেরহাটে বিএনসিসির পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণ বাগেরহাটে সরকারি খাল দখলমুক্তের দাবি, জলাবদ্ধতা নিয়ে ক্ষোভ বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের উপকূলের বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে মহাবিপাকে সরকার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লবণাক্ততার বিষে বদলে যাচ্ছে উপকূলের জীবন পুত্রবধূকে বাঁচাতে গিয়ে শ্বশুরও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, দুজনেরই মৃত্যু বন্ধ হয়ে গেল বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট ইংল্যান্ডে যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, আহত ২০ মানুষ নামাজে এসে বলে গ্যাস নাই, গ্যাস দেন: জামায়াত আমির নিম্নচাপের প্রভাবে ঝড়ের আভাস

কোরবানির বাজার কাঁপাতে প্রস্তুত লালমোহনের মানিক

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৪ জুন, ২০২৩
  • ২৭৯ 0 বার সংবাদি দেখেছে

প্রায় পাঁচ বছর আগে অস্ট্রেলিয়ান জাতের একটি গরু দিয়ে খামার শুরু করেন মো. নূরুজ্জামান। এখন তার খামারে গরুর সংখ্যা ২০টি। এরমধ্যে এবছরের ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেছেন একটি গরুকে। পরম যত্ন আর পরিচর্যায় পালন করা ওই গরুটির নাম রাখা হয়েছে ‘মানিক’।

নূরুজ্জামান তার তিন বছর বয়সী গরুটির দাম হেঁকেছেন ১০ লাখ টাকা। ওই গরুর ওজন প্রায় ১৫ মণ। উচ্চতার দিক দিয়ে গরুটি ৫ ফুট। দৈর্ঘের দিক থেকে গরুটি অন্তত ৮ ফুট। খামারি মো. নূরুজ্জামান ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়ার শিমুলতলা এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া তিনি লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী হিসেবে কর্মরত আছেন।

গরু মানিককে বিক্রির ব্যাপারে খামারি মো. নূরুজ্জামান বলেন, অস্ট্রেলিয়ান জাতের একটি গরু নিয়ে পাঁচ বছর আগে নিজ বাড়ির আঙিনায় খামার গড়ে তুলি। বর্তমানে যেখানে রয়েছে ২০টি গরু। এর মধ্যে রয়েছে ৭টি ষাঁড় ও ৭টি গাভী, বাকিগুলো বাছুর। এসব গরুর মধ্যে একটিকে এবছরের ঈদুল আজহায় বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেছি। আমি মনে করি; পুরো জেলায় এই গরুটি সবচেয়ে বড়। তাই যত্ন করে গরুটির নাম দিয়েছি ‘মানিক’। যার ওজন হবে প্রায় ১৫ মণের মতো। গরুটি বিক্রির জন্য দাম দিয়েছি ১০ লাখ টাকা।

নূরুজ্জামান আরো বলেন, গরুটির পিছনে গত ৬ মাস ধরে দৈনিক দেড় হাজার টাকার মতো খরচ হচ্ছে। এই গরুটিসহ খামারের বাকি গরুগুলোকে খৈল, ভূষি, ভুট্টা ও ঘাস খাওয়ানো হয়। এছাড়া, খামারে থাকা ৭টি গাভী গরু প্রতিদিন দেড় মণ করে দুধ দিচ্ছে। প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকার দুধ বিক্রি করতে পারছি।

খামারের গরুগুলো থেকেও এখন ভালো টাকা আয় হচ্ছে। লালমোহন উপজেলা প্রাণি সম্পদ কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মো. বিল্লাল উদ্দিন জানান, কোরবানি উপলক্ষে যেসব পশু বাজারজাত করা হবে, সেসব পশু সুস্থ-সবল কিংবা রোগাক্রন্ত কিনা তা নির্ণয়ের জন্য প্রতিটি পশুর হাটে আমাদের মেডিকেল টিম কাজ করবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews