1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
পূর্ণতা পেয়েছে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

পূর্ণতা পেয়েছে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৩
  • ২৭৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে

পূর্ণ সক্ষমতায় পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র চলার প্রভাব পড়েছে দেশের লোডশেডিংয়েও। ন্যাশনাল লোড ডিসপ্যাস সেন্টারের তথ্যমতে, শনিবার দুপুর ১২টায় দেশে লোডশেডিং ছিল ১২০ মেগাওয়াট। সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১২ হাজার ৩৩৯ মেগাওয়াট। সরবরাহ ছিল ১২ হাজার ২১৯ মেগাওয়াট।

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম খোরশেদুল আলম বলেন, ‘আমরা পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের ন্যাশনাল লোড ডিসপ্যাস সেন্টারের চাহিদা মোতাবেক জাতীয় গ্রিডে ১ হাজার ২৪৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছি। দেশের বিদ্যুতের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো প্রয়োজনীয় সক্ষমতা পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের আছে।’

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পায়রার স্থাপিত বিদ্যুৎ সক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। তবে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৪৪ মেগাওয়াট সরবরাহ করা যায়। বাকি বিদ্যুৎকেন্দ্রটির অভ্যন্তরীণ প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়। কয়লা সংকটের পর গত ৫ জুন পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ২০ দিন বন্ধ থাকার পর কয়লার সরবরাহ পুনরায় শুরু হলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি গত ২৫ জুন থেকে আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফেরে।

এ এম খোরশেদুল আলম বলেন, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন সর্বোচ্চ উৎপাদন সক্ষমতায় চলছে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন নিরবচ্ছিন্ন রাখার জন্য পালাক্রমে একটার পর একটা কয়লাবোঝাই জাহাজ আসছে। ইতিমধ্যে পাঁচটা জাহাজ কয়লা নিয়ে এসেছে। সামনের দিনগুলোতে আরও ১০টা জাহাজ আসবে।

জানা যায়, কয়লাবাহী জাহাজের ধারণক্ষমতা ৩৬ হাজার থেকে  ৫৫ হাজার টন। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের তথ্যমতে, ২৫ জুন পুনরায় উৎপাদনে আসার পর গত ১৩ জুলাই রাত ১১টায় সর্বোচ্চ উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ২৪৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাইলফলক পৌঁছে।

বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে নির্মিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির চীনা অংশীদার চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কোম্পানি (সিএমসি) এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে দিনে সাড়ে ১২ হাজার থেকে ১৩ হাজার টনের মতো কয়লা লাগে।

কয়লা সরবরাহকারীর বকেয়া সাড়ে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বাকি থাকায় কয়লা সরবরাহ করতে অস্বীকৃতি জানায় সিএমসি। যার ফলে ৫ জুন বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।

অনেক দেন-দরবারের পর বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কয়লা সরবরাহকারী সিএমসিকে ১০০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করে। বাংলাদেশ ও চীনের অর্থায়নে নির্মিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে চীনা প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কোম্পানির ৫০ শতাংশ শেয়ার আছে। বাকি ৫০ শতাংশ শেয়ারের মালিক বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews