
এরপর ইউরোপিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, গোয়া ফেস্টিভ্যাল, ফিল্মফেস্ট হামবুর্গ, লিডস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে ‘সুলতানাস ড্রিম’। জিতেছে পুরস্কারও। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ঘুরে এবার সিনেমাটি আসছে বাংলাদেশে।
গতকাল বুধবার সিনেমার ট্রেলার শেয়ার করে ‘সুলতানাস ড্রিমে’র বাংলাদেশে মুক্তির খবর জানায় স্টার সিনেপ্লেক্স। নির্দিষ্ট তারিখ না জানালেও স্টার সিনেপ্লেক্স আভাস দিয়েছে, এ মাসেই বাংলাদেশে মুক্তি পেতে পারে এই অ্যানিমেশন সিনেমাটি।
বলা দরকার, ২০১২ সালের দিকে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা নির্মাণের জন্য ভারতে যান স্প্যানিশ নির্মাতা ইসাবেল হারগুয়েরা। সে সময় দিল্লির এক আর্ট গ্যালারিতে হঠাৎ আবিষ্কার করে বেগম রোকেয়ার লেখা সুলতানাস ড্রিম উপন্যাসটি। প্রচ্ছদে একজন নারীর মহাকাশযান চালানোর ছবি দেখে চমকে ওঠেন ইসাবেল। বইটি পড়ে তিনি অবাক হন, ১০০ বছরের বেশি সময় আগের লেখা এ বইয়ের বিষয়বস্তু এখনকার সময়েও কতটা প্রাসঙ্গিক! সিদ্ধান্ত নেন এই বই নিয়ে সিনেমার নির্মাণের, শুরু করেন গবেষণা।
৮ বছরের গবেষণা শেষে ইসাবেল হারগুয়েরা নির্মাণ করেন অ্যানিমেশন সিনেমা ‘সুলতানাস ড্রিম’। আধিপত্যবাদী এক সমাজে মেয়েরা মাথা তুলে দাঁড়াবে নিজের অধিকারে, সুলতানাস ড্রিম গ্রন্থে এমন স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন বেগম রোকেয়া। সেই স্বপ্নকে পর্দায় তুলে এনেছেন নির্মাতা। স্পেন ও জার্মানির পাঁচটি প্রতিষ্ঠান সুলতানাস ড্রিম প্রযোজনা করেছে। সিনেমাতে ব্যবহার করা হয়েছে পাঁচটি ভাষা- বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি, ইতালিয়ান, স্প্যানিশ ও বাস্ক। এতে রয়েছে বাঙালি সংগীতশিল্পী মৌসুমী ভৌমিকের লেখা একটি গান। গানটির সংগীতায়োজনে আছেন তাজদির জুনায়েদ, গেয়েছেন দীপান্বিতা আচার্য।