1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
শ্রেণিকক্ষেই চলছে শিক্ষিকার সংসার - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :

শ্রেণিকক্ষেই চলছে শিক্ষিকার সংসার

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
  • ৮০ 0 বার সংবাদি দেখেছে

কুয়াকাটায় ফাসিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষেই বসবাস করছেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শিউলীকা পারভিন। এমনকি তার স্বামী ওই বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবদুর রব সিদ্দিকীকেও নিয়ে এসে একসঙ্গে বসবাস করছেন তিনি।

 

শিক্ষার্থীদের বেঞ্চসহ নানা উপকরণ ব্যবহার করে কক্ষটি বসবাস উপযোগী করে তুলেছেন তারা। এছাড়া পাঠদান চলাকালীন সময়ে রান্না থেকে শুরু করে পরিবারের বিভিন্ন গৃহস্থালি কাজও করা হচ্ছে ওই শ্রেণিকক্ষেই।

 

পরিচয় গোপন রাখার অনুরোধ জানিয়ে বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর অভিযোগ, ক্লাস চলাকালীন সময়ে ভাত-তরকারি রান্না করা হয়। অনেক সময়ই তরকারি রান্নার ঝাঁজ বাতাসে মিসে সরাসরি শিক্ষার্থীরা আক্রান্ত হয়। এসময় একযোগে অনেক শিশুরা হাঁচি কাশি দিতে শুরু করে।

 

দীর্ঘ ৬ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এমন কর্মকাণ্ডে ব্যহত হচ্ছে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম। তবুও সাবেক ওই প্রধান শিক্ষকের ভয়ে কোনো অভিভাবক বা শিক্ষক এই দম্পতিকে কিছু বলার সাহস করেননি।

 

তবে ওই কক্ষটিতে স্বাভাবিক পাঠদানের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষা কার্যক্রম এবং গৃহস্থালি একসঙ্গে হতে পারে না। তাই এই দম্পতির থাকার জায়গা সংকট থাকলে তারা অন্যত্র বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতে পারেন। কিন্তু একপাশে রান্না আর একপাশে পাঠদান মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়।

 

জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবদুল রব সিদ্দিকী জানান, তার কোনো জমিজমা নেই। সব জায়গা জমি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দান করে দিয়েছেন। তাই স্কুল চলাকালীন সময়ে স্ত্রীর সঙ্গে তিনিও শ্রেণিক্ষকে বসবাস করেন। তবে স্কুল বন্ধ হলে শিক্ষিকা স্ত্রীকে নিয়ে বরগুনা বাড়িতে চলে যান।

 

বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শিউলীকা পারভীন জানান, বিদ্যালয়ের যে কক্ষটিতে তারা বসবাস করছেন তাতে পাঠদানে কোনো সমস্যা হয় না।

 

ফাসিপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুল আলম বলেন, তারা বলেছেন বাসা ভাড়া নিয়ে চলে যাবেন। কিন্তু গ্রামে বাসা পাওয়াটা মুশকিল। তাই হয়ত থাকছেন।

 

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ বলেন, শ্রেণিকক্ষ দখল করে বসবাস করার সুযোগ নেই। তদন্ত করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews