
নাম থেকেই ইঙ্গিত পাওয়া যায়, এটি এমন একটি গল্প যা এক ধরনের নিষিদ্ধ বা সংবেদনশীল বাস্তবতাকে ছুঁয়ে সামাজিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করবে। পোস্টার প্রকাশের পর ঋতুপর্ণা নিজের বার্তায় লিখেছেন, কিছু রাত নীরবে আসে, আর বদলে দেয় জীবনের অনেক কিছু ঠিক তেমনই এক রাতকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে এই গল্প।
এই সিনেমার আরেকটি বিশেষ দিক হলো, পরিচালক চৈতি ঘোষালের ছেলে অমর্ত্য রায় এখানে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন। তবে বড় পর্দায় এটি তার প্রথম কাজ নয়; এর আগেও তিনি অভিনয় করেছেন। তবে মায়ের পরিচালনায় এবারই প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো তার জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা।
ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে এক নারীর জীবনকে ঘিরে। অতীতের এক রহস্য খুঁজতে খুঁজতে সে পৌঁছে যায় শহরের একটি পানশালায়। সেখানে তার দেখা হয় এক তরুণ সঙ্গীতশিল্পীর সঙ্গে, যে বারে গান পরিবেশন করে। এই দুই ভিন্ন জীবনধারার মানুষের সাক্ষাতের মধ্য দিয়েই এগোয় গল্প।
সিনেমায় কলকাতার নানা শ্রেণির মানুষের জীবন, তাদের পেশা, মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতা তুলে ধরা হবে। বিশেষ করে পার্ক স্ট্রিটের পরিচিত পরিবেশকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি এতে থাকবে একটি মানবিক বার্তাও।
গল্পটি লিখেছেন সম্রাট। চিত্রনাট্য রচনায় তার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মিতালী ঘোষাল রুদ্র। সিনেমার চিত্রগ্রহণ করেছেন গোপী ভগত। আর আবহসঙ্গীত ও গান তৈরির দায়িত্বে রয়েছেন রূপম ইসলাম।