1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
প্রাইভেট হাসপাতালে দেখছিলেন রোগী, সাংবাদিক দেখে দৌড়ে পালালেন সরকারি চিকিৎসক - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

প্রাইভেট হাসপাতালে দেখছিলেন রোগী, সাংবাদিক দেখে দৌড়ে পালালেন সরকারি চিকিৎসক

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
  • ১৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

অফিস চলাকালে প্রাইভেট হাসপাতালে গিয়েছিলেন রোগী দেখতে। কিন্তু বাধ সাধলো সাংবাদিকরা। এক রোগীর আল্ট্রাসনোগ্রাম করানোর সময় কক্ষে প্রবেশ করেন কিছু সাংবাদিক। তাদের দেখেই দৌড়ে পালালেন ইনজামাম উল হক নামে সেই চিকিৎসক। তবে তার দাবি, তিনি সেখানে নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন।

 

ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের আরামবাগ মোড়ে অবস্থিত ‘চাঁপাই অ্যাপোলো হাসপাতালে’। অভিযুক্ত চিকিৎসক ইনজামাম উল হক চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার।

 

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে অফিস চলাকালে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রামসহ রোগী দেখছিলেন ডা. ইনজামাম উল হক। এমন অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই হাসপাতালটিতে অবস্থান নেন কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী।

দুপুর ১২টার দিকে একজনকে রোগী সাজিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি এক হাজার টাকা ফি দিয়ে আল্ট্রাসনোগ্রামের সিরিয়াল নেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর মোটরসাইকেলে করে হাসপাতালে আসেন ডা. ইনজামাম। আল্ট্রাসনোগ্রাম কক্ষে প্রবেশ করে রোগী দেখা শুরু করলে সাংবাদিকরা সেখানে গিয়ে ভিডিওধারণ করেন। ক্যামেরা দেখেই কক্ষ থেকে দ্রুত বেরিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যান তিনি।

 

প্রাইভেট হাসপাতালে দেখছিলেন রোগী, সাংবাদিক দেখে দৌড়ে পালালেন সরকারি চিকিৎসক

মাদক ব্যবসা ছেড়ে দাও, গর্তে পড়লে কেউ উদ্ধার করবে না: এ্যানি

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে ডা. ইনজামাম দাবি করেন, তিনি সেখানে নামাজ পড়তে এসেছিলেন। তবে জোহরের আযানের সময় আল্ট্রাসনোগ্রাম কক্ষে তার উপস্থিতির কারণ সম্পর্কে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

 

 

ঘটনার সময় উপস্থিত এক পথচারী বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা পাই না। সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার টাকার জন্য প্রাইভেট হাসপাতালে রোগী দেখেন। তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় চিকিৎসা পাবে?’

 

এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীন বলেন, ‘ডা. ইনজামাম সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আমার সঙ্গে দাপ্তরিক কাজে ছিলেন। এরপর কোথায় গেছেন, সে বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।’

 

‘অফিস চলাকালে বাইরে প্র্যাকটিস করা সমীচীন নয়’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অভিযোগের সত্যতা পেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews