1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
পাউবোর ব্লক বাঁধ পানির নিচে, পানিবন্দি ৭ হাজার মানুষ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে জলবায়ুর কষাঘাত, বিপন্ন উপকূলের জীবন প্ল্যান বহির্ভূত গভীর নলকূপ বসানোর চেষ্টা, মালামাল জব্দ বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতিতে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া দৌলতখানে স্ত্রীকে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার, হাসপাতালে ভিকটিমের পাশে পুলিশ সুপার বোরহানউদ্দিনে শিশু ইসমাইল হত্যা মামলায় যুবক গ্রেপ্তার পরকীয়ার অভিযোগে ভাঙনের মুখে ৮ বছরের সংসার কুয়াকাটায় ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে টাকা হাতানোর চেষ্টা, যুবকের এক মাসের কারাদণ্ড সুন্দরবনে জলবায়ুর কষাঘাত, বিপন্ন উপকূলের জীবন পার্বতীপুর রেলওয়ে পুলিশের অভিযানে ৫ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার ৬৬ বছরেও ইটের টুকরো পড়েনি যে সড়কে

পাউবোর ব্লক বাঁধ পানির নিচে, পানিবন্দি ৭ হাজার মানুষ

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৮০ 0 বার সংবাদি দেখেছে
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধূলিয়া ইউনিয়নে তেঁতুলিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নদীভাঙন প্রতিরোধে ৭১২ কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্লক বাঁধ নির্মাণ করলেও, তা জোয়ারের পানি ঠেকাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।

একটি টেকসই ও পর্যাপ্ত উচ্চতার স্থায়ী বেড়িবাঁধ না থাকায় জোয়ারের পানিতে ইউনিয়নের ৪টি ওয়ার্ড প্লাবিত হয়েছে। এতে এলাকার প্রায় ৭ হাজার মানুষ চরম মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন ও গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন।

সরেজমিনে ধূলিয়া ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্মিত ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্লকের বাঁধটি জোয়ারের পানিতে সম্পূর্ণ নিমজ্জিত। পানির ওপরে কেবল বাঁধের হলুদ রঙের নামফলকগুলো কোনোমতে জেগে রয়েছে। এই ফলকগুলো না থাকলে বোঝার উপায় নেই যে, নদীভাঙন রোধে এখানে কোটি কোটি টাকার ব্লক বাঁধ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তেঁতুলিয়া নদীর জোয়ারের পানির সর্বোচ্চ উচ্চতার তুলনায় নির্মিত ব্লক বাঁধের উচ্চতা অনেক কম। ফলে নদীতে সামান্য পানি বাড়লেই তা অনায়াসে বাঁধ উপচে লোকালয়ে প্রবেশ করে। যে উদ্দেশ্যে এই বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছিল, বাস্তবে তা নদীর তীরবর্তী মানুষের কোনো কাজেই আসছে না।

জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে এলাকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে রয়েছে এনকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বারুজীবী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধূলিয়া দাখিল মাদ্রাসা এবং মঠবাড়িয়া এজিটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। শ্রেণিকক্ষে পানি ওঠার কারণে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও পাঠদান সম্পূর্ণ ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়াও ভাষাসৈনিক সৈয়দ আশরাফ হোসেনের সমাধিস্থলসহ এলাকার বেশ কয়েকটি মসজিদ ও মন্দির জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

টানা বর্ষণ ও তেঁতুলিয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকার প্রধান পেশা মাছ শিকার বন্ধ রয়েছে। জেলেরা নদীতে যেতে পারছেন না। ইতোমধ্যে শতাধিক পরিবার সম্পূর্ণ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন, ঘর থেকে বের হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। রান্নার জায়গায় পানি ঢুকে পড়ায় অধিকাংশ পরিবারে গত কয়েকদিন ধরে চুলায় আগুন জ্বলছে না। ফলে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে দুর্গত মানুষের।

স্থানীয় বাসিন্দা শরীফ তৌসিফুর রহমান রাফা কালবেলাকে বলেন, ধূলিয়া ইউনিয়নের মানুষ বছরের পর বছর জোয়ারের পানির সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে। এখানে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ব্লক বাঁধ নির্মাণ করা হলেও তা তেঁতুলিয়া নদীর তীরবর্তী মানুষের কোনো কাজে আসছে না। পানির উচ্চতার চেয়ে বাঁধ নিচু হওয়ায় বর্ষা বা বন্যার সময় সহজেই পানি ভেতরে প্রবেশ করে দরিদ্র মানুষগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পটুয়াখালী জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করা সম্ভব না হলেও, বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ জানিয়েছেন যে, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবহিত। দ্রুত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি সরকারি সহায়তা ও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews