1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৯ 0 বার সংবাদি দেখেছে

পটুয়াখালীর বাউফলে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় এক কিশোরকে মারধর করে তার কাছে থাকা ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।

 

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ল্যাংড়া মুন্সির পোল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

মারধরের শিকার হওয়া ওই কিশোরের নাম মো. আমিনুল ইসলাম (১৭)। তিনি বাউফল ইউনিয়নের পূর্ব জৌতা গ্রামের মো. হালিম হাওলাদারের ছেলে। তিনি কালাইয়া বন্দরে গুড় ব্যবসা করেন।

অভিযুক্ত ওই ছাত্রদল নেতার নাম মো. ইয়াছিন হাওলাদার (২২) ও তার সহযোগী সোহান (২৩)। মো. ইয়াছিন হাওলাদার বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহসভাপতি বলে জানা গেছে।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ইয়াছিন হাওলাদার ও সোহান বেশ কিছুদিন ধরে আমিনুলের গুড়ের দোকানে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ক্ষিপ্ত হন।

 

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে আমিনুল কালাইয়া বাজার থেকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে ল্যাংড়া মুন্সির পোল এলাকায় পৌঁছালে ইয়াছিন, সোহানসহ কয়েকজন আমিনুলের পথরোধ করেন। পরে লাঠিসোঁটা, লোহার পাইপ ও হাতুড়ি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

এতে আমিনুলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা তার কাছে থাকা গুড় বিক্রির ৩০ হাজার টাকা নিয়ে নেয় এবং একই সঙ্গে তাকে কালাইয়া বাজারে আর ব্যবসা না করার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা আহত আমিনুলকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার চিকিৎসা দেওয়া হয়।

 

হামলার শিকার আমিনুল বলেন, ‘আমি কালাইয়া বাজারে গুড়ের ব্যবসা করি। এর আগে কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না, এখনও নেই। আমার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। চাঁদা না দেওয়ায় তারা আমাকে মারধর করে এবং আমার সঙ্গে থাকা ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।’

 

এ বিষয়ে বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহসভাপতি মো. ইয়াছিন হাওলাদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমিনুল ইসলামকে আমি মারিনি এবং ৩০ হাজার টাকাও নেইনি। ছাত্র আন্দোলনের সময় যারা পোলাপানের গায়ে হাত দিয়েছিল তাদের পেয়েছি, আওয়ামী লীগকে পিটাইছি।’

 

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews