1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ওবায়দুল কাদেরের মতো কর্মঠ এবং ডায়নামিক মন্ত্রী খুব কমই আছে - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :
১১ দফা দাবিতে বরিশালে ঐক্যজোটের স্মারকলিপি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহর যোগদান ভুতুড়ে বিল-লোডশেডিংয়ের বিরুদ্ধে বরিশালে বিক্ষোভ, স্মারকলিপি প্রদান নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা প্রশিক্ষণে গৌরনদী টিটিসির ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত বিএনপি ও জামায়াত জুলাই আন্দোলনে ছিল না: ফয়জুল করীম গভীর সাগরে ট্রলারে জলদস্যুদের হামলা, ১৪ জেলে আহত ভোলায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ নতুন কর্মসূচির ঘোষণা জামায়াত জোটের আসামে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ওবায়দুল কাদেরের মতো কর্মঠ এবং ডায়নামিক মন্ত্রী খুব কমই আছে

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২২
  • ৪৪৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে
নিজস্ব প্রতিবেদক // সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উন্নয়ন কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, সব থেকে বেশি ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য হচ্ছে আমাদের সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। কারণ তার মতো এতো কর্মঠ এবং ডায়নামিক মন্ত্রী খুব কমই আছে। একদিকে তিনি পার্টির সেক্রেটারি, আবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। তাকে পার্টির সেক্রেটারি করার পর আমার কাজের চাপ অনেক কমে গেছে।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে গণভবন থেকে চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলে’র টিউবের কাজ সমাপ্তির উদযাপন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে বক্তব্য প্রদানকালে ওবায়দুল কাদেরের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি টানেল নিমার্ণে চীনা সরকারের সকলের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘এটা সহযোগিতা করার জন্য চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং তখনকার প্রধানমন্ত্রীসহ সবাইকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমি ধন্যবাদ জানাই আমাদের বর্তমান কেবিনেট সেক্রোটারি খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামকে। তার মতো একজন ডায়নামিক অফিসার ছিল বলে খুব দ্রুত এটা আমরা করতে পেরেছি। সেই সঙ্গে সেতু বিভাগের যারা কর্মরত তাদেরকেও ধন্যবাদ জানাই। সেই সময় যারা কাজ করেছেন। তারা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, তাকে পার্টির সেক্রেটারি করার পর আমার কাজের চাপ অনেক কমে গেছে। কারণ অনেক দায়িত্ব সে নিয়ে গেছে। কিন্তু সেই সঙ্গে সঙ্গে সারা বাংলাদেশে আজকে আমাদের যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। প্রত্যেকটা সেতু, উন্নত মানের রাস্তা করা, সেই সাথে টানেল নির্মাণ, সব ব্যাপারে তার যে বলিষ্ট ভূমিকা, অগ্রণী ভূমিকা সেই জন্য তাকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাই।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, আসলে কাজ করার ইচ্ছা থাকতে পারে কিন্তু কাজ করার মতো লোক দরকার। আমার সৌভাগ্য আমি দেখেছি যারা সঙ্গে কাজ করছে, প্রত্যেকের একটা আন্তরিকতা আছে। দেশপ্রেম আছে, দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ আছে, জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ আছে বলেই আমরা এত দ্রুত বাংলাদেশকে উন্নত করতে পারছি।

মাত্র কিছুদিন আগে এক সঙ্গে ১০০টি ব্রিজ উদ্বোধন করা হয়েছে। এটাও একটা ইতিহাস সৃষ্টি করেছে আমাদের সড়ক ও সেতুবিভাগ। সে জন্য মন্ত্রীসহ সড়ক ও সেতুবিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

তিনি বলেন, যেকোনো একটা উন্নয়নের কাজ করতে গেলে অনেক সময় স্থানীয় জনগণ বাধা দেয়। কিন্তু এই কাজটা করার সময় মানুষের যে উৎসাহ উদ্দীপনা দেখেছি ঠিক পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় তাই দেখেছি। স্থানীয় লোক নিজের ঘরবাড়ি বাপ-দাদার ভিটেবাড়ি সব ছেড়ে দিতে হলে তারা ছাড়তে রাজি ছিল। কারণ দেশের উন্নয়ন হোক। ঠিক এই টানেল নির্মাণের সময়ও চট্টগ্রামবাসীর কাছ থেকে সেই সহযোগিতা পেয়েছি।

২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যৌথভাবে কর্ণফুলী টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম টানেল টিউবের বোরিং কাজের উদ্বোধন করেন এবং ২০২০ সালের ১২ ডিসেম্বর সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দ্বিতীয় টিউবের বোরিং কাজের উদ্বোধন করেন। টানেলটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গার নেভাল একাডেমি প্রান্ত থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড এবং আনোয়ারায় কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার লিমিটেড কারখানার মধ্যে নদীর তলদেশে সংযোগ স্থাপন করছে। মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিমি এবং এতে দু’টি টিউব রয়েছে। প্রতিটিতে দু’টি লেন রয়েছে। এই দু’টি টিউব তিনটি জংশনের (ক্রস প্যাসেজ) মাধ্যমে সংযুক্ত করা হবে। এই ক্রস প্যাসেজগুলি জরুরি পরিস্থিতিতে অন্যান্য টিউবগুলিতে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হবে। টানেল টিউবের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিমি এবং ভিতরের ব্যাস ১০ দশমিক ৮০ মিটার। মূল টানেলের পশ্চিম এবং পূর্ব দিকে একটি ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক রয়েছে।

বাংলাদেশ ও চীন সরকারের যৌথ অর্থায়নে টানেল প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় প্রায় ১০ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা। চীনের এক্সিম ব্যাংক ৫ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এবং বাকি অর্থ দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews