1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বাংলাদেশের সামনে আগামী দশ বছরের চ্যালেঞ্জ গুলো কী? - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে বীরত্বের প্রমাণ দিয়েছেন আখতারুজ্জামান: জামায়াত আমির বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সুলিভানের যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে ইতিহাসগড়া গোল সেপ্টেম্বরে সড়কে ঝরল ৪২৩ প্রাণ অপরাধ দমনে কঠোর বার্তা, বরিশাল কোতোয়ালি থানার নতুন ওসি মনিরুল ইসলাম ইনার সার্কুলার রিং রোডের কাজে দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি চান প্রধানমন্ত্রী মির্জাগঞ্জে ভাইকে না জানিয়ে পৈতৃক বসতঘর কাটার অভিযোগ বরিশালে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান স্ট্যালিন আটক বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের সঙ্গে নরসুন্দর কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ উজিরপুরে গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিকে সংবর্ধনা, জনতার ঢল গেইলের বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে টি-টোয়েন্টিতে ১৮৮ প্রিটোরিয়াসের

বাংলাদেশের সামনে আগামী দশ বছরের চ্যালেঞ্জ গুলো কী?

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩১১ 0 বার সংবাদি দেখেছে

প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৭ সালে যখন তত্বাবধায়ক সরকারের সময় আমাকে গ্রেপ্তার করা হয় তখন একটি বাড়িতে বন্দি অবস্থায় ছিলাম, তখনও আমি সময় নষ্ট করিনি। ভেবেছি পরিস্থিতি অনুকূলে আসলে অর্থাৎ ক্ষমতায় গেলে আমরা কী করবো। এজন্য ভেবেচিন্তে নোট করা শুরু করলাম কোন কোন কাজ গুলো কীভাবে করবো। শেষ পর্যন্ত সত্যিই ২০০৮ সালে তারা বাধ্য হল ইলেকশন দিতে এবং আমরা আমাদের পরিকল্পনা তৈরি করলাম ২০২১ সালকে লক্ষ্য করে। এরপর ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় থাকার কারণে আমাদের উন্নয়ন কজেও ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। কাজের এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এখন চ্যালেঞ্জ।

এছাড়া বর্তমানে করোনাভাইরাস ও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ আরও একটি চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “করোনাভাইরাস আমাদের আগ্রযাত্রায় কিছুটা বাঁধা সৃষ্টি করেছে, এরপর আবার যখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে ঠিক তখনই আবার ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ আবারও আমাদের অগ্রযাত্রায় বাঁধা সৃষ্টি করেছে। তবে আমরা থেমে নেই।”

 

আশ্রয়ন প্রকল্প নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৭ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর সেন্টমার্টিনে অনেক লোক গৃহহীন হয়ে পড়ে। কিন্তু সেখানে ওকো খাস জমি ছিলো না। তবে সে সময় আওয়ামী লীগের কিছু নেতা এগিয়ে এসেছিলো, তারা জমি দিয়েছে, আমি ঘর করার ব্যবস্থা করেছি। সে সময় ওই ঘরগুলোর মালিকানা দিয়েছিলাম স্বামী স্ত্রী দুজনের নামেই। সেক্ষেত্রে আইন করা হয়েছিল এভাবেই যে কোনো সমস্যা হলে ওই ঘরের অধিকার পাবে স্ত্রীরা। কারণ আমাদের সমাজে অনেক সময় ছেলেরা বিয়ে করে তারপর স্ত্রীকে ফেলে দিয়ে চলে যায়, তখন সন্তান নিয়ে স্ত্রীরা বিপদে পড়েন। তখন যদি শুধু মেয়েদের নামে মালিকানা দিতাম তাহলে আবার প্রশ্ন উঠতো, যেকারণে সমান অধিকার দিয়েছিলাম। তবে পরে এই প্রকল্পে খুব বেশি বাধা আসেনি। এই প্রকল্পের কাজও শেষের দিকে।

আর কোনও রোহিঙ্গা নেবে না বাংলাদেশ, এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী বাহিনীর অত্যাচারে বাঙালীরাও এক সময় ভারতের আশ্রয়প্রার্থী হয়েছিলো, সে সময়ের কথা মনে করেই মানবিক সিদ্ধান্ত হিসেবে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে। এরপর থেকে বাংলাদেশের মানুষ যা সুবিধা পেয়েছে, তাদেরও তা দেয়া হয়েছে। তবে এটা দীর্ঘদিন পর্যন্ত থাকলে সেটা তো বোঝা হয়ে যায়। বিদেশি সাহায্য পাওয়া গেছে এটা ঠিক, কিন্তু কতদিন এই শরনার্থী থাকবে? তাদের তো নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে।

সেইসাথে ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ ও করোনাভাইরাস এর কারণে এমনিতেই সারাবিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা, এ অবস্থায় এই বোঝা দীর্ঘদিন টেনে নেয়া যায়না বলেও মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকাকে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার থেকে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews