1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বাউফলে বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার চুরির হিড়িক - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
দুর্নীতিমুক্ত বিআরটিসি ডিপো গঠনে কাজ করছেন ম্যানেজার জুলফিকার, অপ-প্রচারে ক্ষোভ কর্মকর্তা-কর্মচারীরাদের! উজিরপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত উজিরপুরে জেলেদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ কোচের বিরুদ্ধে রোনালদোর বিস্ফোরক দাবি ‘১০ নম্বরের গল্পটা কখনও শেষ হবে না’ ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৮১ বিমান-ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত, ব্যয় ৩৩০ কোটি ডলার ভোলায় মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, দুশ্চিন্তায় ২ লক্ষাধিক জেলে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি এক বাড়ির জন্য ৪১ লাখ টাকার সেতু! ম্যানগ্রোভ প্রকল্পের চার শতাধিক গাছ ধ্বংসের অভিযোগ

বাউফলে বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার চুরির হিড়িক

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • ১০৪ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার চুরির হিড়িক পড়েছে। একের পর এক ট্রান্সফর্মার চুরির ঘটনায় আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।

 

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাতে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বাউফল জোনাল অফিসের আওতাধীন কমলাপুর ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামে মুহাম্মদ অটো রাইস মিলের সামনের খুঁটি থেকে ১০ কেভির তিনটি ট্রান্সফর্মার চুরি হয়েছে। এর আগে সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও ৩৫টি ট্রান্সফর্মার চুরির ঘটনা ঘটেছে।

 

বাউফল জোনাল অফিস সূত্রে জানা গেছে, তাদের আওতায় প্রায় ২ হাজার ৩০০ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন রয়েছে। এসব লাইনে বিভিন্ন সাইজের প্রায় ৬ হাজার ট্রান্সফর্মার স্থাপন করা হয়েছে। গ্রাহক সংখ্যা প্রায় সোয়া লাখ। উপজেলার গোসিংগা ও কালিশুরিতে রয়েছে দুটি সাব-স্টেশন।

পল্লী বিদ্যুতের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ট্রান্সফর্মার প্রথমবার চুরি হলে এর মূল্যের অর্ধেক অর্থ গ্রাহকদের বহন করতে হয়। এরপর একই স্থানে পুনরায় চুরি হলে প্রতিবারই নতুন ট্রান্সফর্মার কেনার সম্পূর্ণ অর্থ গ্রাহকদের দিতে হয়। অথচ নতুন ট্রান্সফর্মার পেতে অনেক সময় মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়, ফলে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় থাকতে হয় ভুক্তভোগীদের।

স্থানীয়দের দাবি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র ট্রান্সফর্মার চুরি করে এর ভেতরের মূল্যবান তামার তার খুলে নিয়ে যাচ্ছে। একেকটি ট্রান্সফর্মারের দাম প্রায় ৬০ হাজার টাকা থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

 

কমলাপুর গ্রামের বাসিন্দা কাওসার আহম্মেদ বলেন, ট্রান্সফর্মার পাহারা দিয়ে রাখা কি সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব? এটা কি জনগণের দায়িত্ব? খুঁটিতে ট্রান্সফর্মার বসানোর সময় এমন ব্যবস্থা করা উচিত, যাতে সহজে চুরি করা না যায়। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

 

নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা গ্রামের বাসিন্দা মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, একটি ট্রান্সফর্মারের আওতায় ২৫ থেকে ৩০টি সংযোগ থাকে। ট্রান্সফর্মার চুরি হয়ে গেলে ওই এলাকার মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। নতুন ট্রান্সফর্মার কিনতেও গ্রাহকদের টাকা দিতে হয়।

 

পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বাউফল জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. মজিবুর রহমান বলেন, মহল্লাভিত্তিক বিশেষ টহল টিম গঠন করে পাহারার ব্যবস্থা করলে ট্রান্সফর্মার চুরি অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। আমাদের সীমিত জনবল দিয়ে হাজার হাজার খুঁটির ট্রান্সফর্মার পাহারা দেওয়া সম্ভব নয়। যেহেতু জনগণই এ সেবা ভোগ করেন, তাই ট্রান্সফর্মার রক্ষায় তাদেরও দায়িত্ব রয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, ভিন্ন কোনো প্রযুক্তিগত পদ্ধতিতে ট্রান্সফর্মার চুরি প্রতিরোধ করা যায় কি না, সে বিষয়টি কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখবে। জেলা পর্যায়ের সভায় আমি বিষয়টি উপস্থাপন করব।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews